কাস্টমসে জব্দকৃত মোটরসাইকেল। ছবি-সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশ বা কাস্টমস্ কর্তৃক জব্দকৃত মোটরবাইক আদালতের নির্দেশে আয়োজিত নিলামের মাধ্যমে যে কেউ ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু অকশনের মাধ্যমে বাইক ক্রয় করার পর কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। বাইকের রেজিস্ট্রেশনের কোনো কাগজপত্র না থাকায় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিপত্তি ঘটে । তাই জেনে নিন নিলামে ক্রয়কৃত মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সমূহ।

নিলাম বা অকশনে কেনা বাইক রেজিস্ট্রেশনের জন্য যেসব কাগজপত্রের প্রয়োজন হবেঃ

১। পেপার কাটিং (Paper Cutting)

২। সি.এস. কপি/ তুলনামূলক বিবরণী (C.S. Copy)

৩। সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ।

৪। বিক্রয় আদেশ।

৫। বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ।

৬। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

৭। কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য।

৮। কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র।

৯। কাস্টমস ডেলিভারি অর্ডার।

১০। কাস্টমস ডেলিভারি মেমো।

১১। কাস্টমস ডেলিভারি ইনভয়েস।

১২। নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা।

১৩। বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।

১৪। ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট।

১৬। টি.ও , টি.টি.ও , বিক্রয় রশিদ।

১৭। ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট।

১৮। মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিন পরিদর্শন।

১৯। এইচ ফরম পূরণ।

২০। পরিচালক(ইঞ্জিঃ) বিআরটিএয়ের অনুমোদন।

২১। টাকা জমার রশিদ সমূহ।

তারপর রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া সাধারণ বাইক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার মতোই।

সূত্রঃ বাইক বিডি

আজকের পত্রিকা/মির/জেবি