সংঘর্ষে আহতদের কয়েকজন।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৫ মার্চ সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৪০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজনের বাড়ী ঘর, দোকানপাট ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বর জখম অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে ১৭ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের নৌকা ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর আনারস প্রতিকের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে পৃথকভাবে হামলা সংঘর্ষে তারা আহন হন।

আহতরা হলেন সোনাবাড়ীয়ার ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম (৪৫), একই গ্রামের আল আলামিন (২৭), আতাউর রহমান লাভলু (৫০), আব্দুল্লাহ (১৭), বোয়ালিয়া গ্রামের আব্দুল হামিদ (৪৫), ভাদিয়ালী গ্রামের আজমিরুল ইসলাম (২৮), মুদি দোকানী আঃ মমিন সরদার (৫৮), বোয়ালিয়ার ট্রলি চালক সুজন মোল্লা (২৫), দক্ষিণ বহুড়ার হান্নান গাজী (৪৫), মমতাজ খাতুন (৩২), পৌর সদরের তুলসীডাঙ্গা গ্রামের বদরুজ্জামান বিপ্লব (৪০), একই গ্রামের ফিরোজা খাতুন (৩০), রবিউল ইসলাম (৪০, মোজাফ্ফার হোসেন (৩৫), লাকী হোসেন (৪০), আম্বিয়া খাতুন (৪৫) ও কাজী বাবু (৩০)।

এছাড়া বাকী আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে রয়েছে।

এদিকে নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুর পক্ষ থেকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলায় মাইকিং করে কোন প্রকার সহিংসতায় না জড়ানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নব নির্বাচিত কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু বলেন, আমার সকল নেতাকর্মীদের কোন প্রকার সহিংসতায় না জড়ানোর জন্য অাহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাইকিং করে নেতাকর্মীদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, এলাকায় কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না করার জন্য নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

বৈশাখী/সাতক্ষীরা