বাংলাদেশ কৃষিবিশ্বদ্যিালয়ের (বাকৃবি) নিউট্রিশন ক্লাব কর্তৃক সুস্থ্য জাতির জন্য নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে খাদ্য প্রকৌশলীদের করণীয়” শীর্ষক কর্মশালা

পৃথিবীতে আগমনের সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ কৃষির উপর নির্ভলশীল। চিকিৎসা ও খাদ্য সংরক্ষণ মানুষের আয়ু দীর্ঘায়িত ও মৃত্যুহার কমিয়েছে। আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। এজন্য প্রয়োজন খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে সচেতনতা ও সতর্কতা বৃদ্ধি ।

কারণ এসময়েই খাদ্যে জীবানুর প্রবেশ ঘটে যা পরে মানুষে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে খাদ্য সংরক্ষণে খাদ্য নিরাপত্তা, সঠিক পুষ্টি ও খাদ্যের গুণগতমান ঠিক রাখা একটি নতুন চ্যলেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে খাদ্য প্রকৌশলীদের এক হয়ে কাজ করতে হবে।”

বাংলাদেশ কৃষিবিশ্বদ্যিালয়ের (বাকৃবি) নিউট্রিশন ক্লাব কর্তৃক সুস্থ্য জাতির জন্য নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে খাদ্য প্রকৌশলীদের করণীয়” শীর্ষক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন নিউট্রিশন ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. গুলজারুল আজিজ।

(০১ নভেম্বর) শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মশালা শেষে বর্তমান কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী এক বছরের জন্য নবগঠিত এ কমিটির সভাপতি হিসেবে তানজিলুর রহমান অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. মেহেদি হাসান মনোনীত হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন পদে ২৫ জন সদস্য মনোনীত হয়েছে ।

নিউট্রিশন ক্লাবের সভাপতি মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল আহমেদ সিফাতের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকির। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. নুরুল হক, বাংলাদেশ আইসিটি উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিদ উদ্দিন আকবর ও খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের প্রধান ড. মো. আনিসুর রহমানসহ খাদ্য প্রকৌশলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকির বলেন, মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম হলো খাদ্য। আর খাদ্যের সঠিক সংরক্ষণ ও গুনগতমান বজায় থাকলে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা থেকে বাঁচা সম্ভব। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে খাদ্য প্রকৌশলীদের যথেষ্ট ভুমিকা রাখতে হবে।

এতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যকালাপে আয়োজন ও তাতে অংশগ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

তানিউল করিম জীম/বাকৃবি