রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

‘বর্তমান পৃথিবীতে মেশিন বা ইলেকট্রিক যন্ত্রকে মানুষ নিয়ন্ত্রন করছে। এতে একদিকে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অন্যদিকে নিরাপত্তার ঝুঁকিও রয়েছে।

স্মার্ট ফোনে নিরাপত্তার স্বার্থে প্যাটার্ন, পিন লক ব্যবহার করা হয় কিন্তু সেটা সহজেই হ্যাক করা যায়। এটা নিরাপদ নয়। কিন্তু ৪র্থ শিল্পবিপ্লবে মেশিনকে মেশিনে নিয়ন্ত্রন করবে।

এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে’ এমনটাই মন্তব্য করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েটে) কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রফেসর ড. প্রকৌশলী মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম (পিইজ)। রুয়েট অডিটোরিয়ামে সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির আয়োজনে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বন্দুকে ফিংগার ব্যবহার করা হবে যার ফলে নিজের অস্ত্র অন্যজন ব্যবহার করতে পারবে না এমনকি চুরির আশংকা থাকবে না।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ করে সড়ক ও নৌ পথে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটছে। এটা কমিয়ে আনা সম্ভব, যদি প্রতিটি যানে স্যানসর ব্যবহার করা হয়। কেন না ওই স্যানসরটির দ্বারাই যে কোন ধরণের যানের সমস্যা চিহ্নিত করে সংঘটিত হওয়ার আগেই জানিয়ে দেবে। এক্ষেত্রেও এ বিপ্লব ভূমিকা রাখবে। এতে উন্নত জীবন যাত্রা নিশ্চিত করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে রুয়েট ভিসি প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, তিনটি শিল্পবিপ্লব অতীত হয়েছে। প্রতিটিই মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রেখেছে। বিশেষ করে তৃতীয় শিল্পবিল্পবে আবিস্কৃত হয়েছে ইন্টারনেট। যা পাল্টিয়ে দিয়েছে পৃথিবীর গতি।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও ডিজিটাল নিরাপত্তা’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মুনাজ আহমেদ নুর, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মুনজুর মোর্শেদ, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, বিজ্ঞান প্রযুক্তি উপকমিটির সদস্য প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন শিবলু, সুফী ফারুক, কম্পিউটার কৌশল বিভাগের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রনক আহসান।

এমএ জাহাঙ্গীর/রাবি