জরায়ু প্রদাহের কারণে যোনি পথে ও জরায়ুতে ব্যথা হয়। ছবি : সংগৃহীত

নারীদের জরায়ুতে প্রদাহ হতে পারে বিভিন্ন কারণে। এই কারণগুলি সব নারীর জেনে থাকা প্রয়োজন। এতে জরায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত জটিল সমস্যা থেকে নিরাপদ থাকা যায়। জরায়ুর প্রদাহ একটি খারাপ রোগ। সঙ্গে সঙ্গে এর চিকিৎষা না হলে আরও কঠিন ও জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে। আসুন জেনে নেই এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-

লক্ষণ 

১) যোনি পথে ও জরায়ুতে ব্যথা হয়।
২) মাসিকের পর প্রদর/সাদাস্রাব হতে দেখা যায়।
৩) ঋতু স্রাবে দূর্গন্ধ হতে দেখা যায়।
৪) মাসিকের সময় জ্বালা ও ব্যথা হয়। অনেক সময় রক্তপাতও হতে পারে।
৫) জ্বর গা ম্যাজ ম্যাজ করা। মাথা ধরা থাকতে পারে।
৬) বেশি দিন জরায়ু প্রদাহে ভুগলে বন্ধাত্বও হতে পারে।

কারণ 

১) ঠান্ডা লাগা, ভেজা স্যাঁতসেঁতে স্থানে থাকা, ঋতু বন্ধ হওয়া, অতিরিক্ত স্বামী সহবাস,কষ্টকর জরায়ু উত্তেজনার কারণে হতে পারে।

২) জরায়ুতে বিভিন্ন জীবাণু দূষণ, যেমন – মনিলিয়াল ইনফেকশন, ট্রাইকোমনা জাতীয় ইনফেকশনের কারণে প্রদাহ হতে পারে।

৩) জরায়ুতে ক্ষত, টিউমার ইত্যাদি কারণেও হতে পারে।

৪) ঋতুস্রাবের সময় নোংড়া কাপড়, নেকড়া ইত্যাদির ফলেও হতে পারে।

৫) B.coli রোগে অনেকদিন ভুগলে অথবা প্রস্রাব নালী নির্গত জীবাণু যোনি পথে প্রবেশ করে প্রদাহের সৃষ্টি করে।

৬) গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতি রোগ থেকে জরায়ুতে প্রদাহ হতে পারে।

৭) গর্ভপাতের পর কোনকিছু incomplete হলে অথবা complete হলেও এ ধরনের প্রদাহ হতে পারে। অতএব, আজকাল যে ভাবে জোর করে গর্ভপাত করানো হয় তাতে প্রদাহ হতে পারে।

৮) Curate অপারেশন ঠিকমতো করাতে না পারলে জরায়ু প্রদাহ দেখা দিতে পারে। অন্য অপারেশনেও হতে পারে।

৯) কেথিটার প্রয়োগের সময় জীবাণু থাকলে তার দ্বারা প্রদাহের সৃষ্টি হয়। আবার অনেক সময় প্রদাহ হলেও সঠিক ধারণা পাওয়া যায় না।

১০) প্রস্রাবের পর ঠিকঠাক যত্ন না নিলেও জরায়ুর গাত্রে ফুল পড়ে যাওয়ার পর ঘা দেখা যায় আর ঐ ঘা থেকে জীবাণু প্রদাহের সৃষ্টি করে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/