লাশ দেখতে স্বজনদের ভিড়।

নাটোরের নলডাঙ্গা থেকে শারমিন বেগম ও তার দুই বছরের সন্তান আব্দুল্লার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার বাশিলা উত্তরপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় শারমিনের এবং বাড়ির পাশের পুকুর থেকে আব্দুল্লার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শারমিন বেগম ওই এলাকার মাহামুদুল হাসান মুন্নার স্ত্রী।

নলডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুর রহমান ও এলাকাবাসী জানান, গতরাতে খাওয়া দাওয়া শেষে শারমিন আব্দুল্লাকে নিয়ে তাদের শোয়ার ঘরে চলে যায়। পরে সেহেরি করার সময় পরিবারের লোকজন তাকে ডাকতে গেলে ঘরের ভেতরে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং শিশু আব্দুল্লার খোঁজ করে। পরে সকাল ৬টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে আব্দুল্লার মরদেহটি উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঘরের পেছনের বাথরুমের চালা দিয়ে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। শারমিনকে হত্যা করে শিশুটিকেও মেরে পুকুরে ফেলে দেয় তারা। তবে কেন এ হত্যাকাণ্ড তা তাৎক্ষণিক জানাতে পারেনি পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চুরি বা ডাকাতির উদ্দেশ্যে কেউ ঘরে ঢোকে। তবে ঘর থেকে কোনো কিছু খোয়া গেছে কি-না তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।