বলি দেয়ার যন্ত্র।

এক তরুণীকে বলি দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে যেতে এসেছিল দুষ্কৃতিকারীরা। তবে গ্রামবাসীদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। হাতেনাতে ধরা পড়েছে তিন অভিযুক্ত।

এ ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আলিপুরদুয়ার অঞ্চলের দক্ষিণ পারোকাটা গ্রামে। গ্রে*প্তারকৃতদের দশদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় গীতাকে (ছদ্মনাম) বাইরে কাজের লোভ দেখিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যেতে আসে কয়েকজন। ওই লোকেরা স্থানীয় নারী মঞ্জু দাস ও তার স্বামী অনিল দাসের সহযোগিতায় গাড়ি নিয়ে হাজির হয়। গীতার বাবাকেও টাকা পয়সার লোভ দেখানো হয়। ঠিক সে সময়েই গ্রামের লোকেরা টের পেয়ে দুষ্কৃতিকারীদের ঘিরে ফেলে। পরে পুলিশ গিয়ে তিনজনকে গ্রে*প্তার করে। বাকিরা পালিয়ে যায়।

আ*টক তিন ব্যক্তিকে জেরা করে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তারা বলি দেওয়ার জন্যই ওই তরুণীকে বাছাই করেছিল। ছয় ফুট লম্বা অবিবাহিত নারী খুঁজছিল তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, নরবলি দেওয়ার কারণেই ওই তরুণীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে কোন মন্দিরে, কখন এই নরবলির ঘটনা সম্পন্ন করা হতো, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

তদন্তকারীরা জানান, আটক ব্যক্তিরা হলো-ঝুটন সরকার, সুশান্ত অধিকারী ও সুভাষ বর্মন। ঝুটনের বাড়ি কোচবিহারের ডাউয়াগুড়িতে। সুশান্তর বাড়ি কোচবিহারের বক্সিরহাট থানার নাগুরহাট গ্রামে। আর সুভাষ কামাখ্যাগুড়ির বাসিন্দা। এই তিনজনকেই এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রের বরাতে জানা গেছে, বলি দেওয়ার জন্য যে তরুণীকে টার্গেট করা হয়েছিল, তারা ছয় বোন। পাঁচ বোনের আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। অবিবাহিত বোনটি ছয় ফুট লম্বা। মেয়েটির একটি পায়ে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। একটি চোখেও সমস্যা রয়েছে তার।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস