নবীগঞ্জে সড়ক অবরোধ।

নবীগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে।

২১ মে মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের নতুন বাজার মোড়ে প্রায় ২ ঘণ্টা সময় অবরোধ করে রাখলে কয়েক শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গণি ওসমানী, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ এটিএম সালাম উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের আলোচনা সাপেক্ষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

আন্দোলনকারীরা বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র গত কয়েক মাস ধরে প্রচ- দাবদাহে এমন লোডশেডিংয়ে দূর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লক্ষাধিক সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে ইফতার, তারাবীর নামাজ ও সাহরীর সময় প্রচ- দাবদাহের মধ্যে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং চরম দুর্ভোগে পড়েন উপজেলাবাসী।

এ ছাড়াও কয়েক বছর ধরে ৩৩ কেভি লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের অজুহাতে শুক্র ও শনিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে রাখা হয়।

প্রতি বছর ২/৩ বার আন্দোলন কর্মসূচি পালন করলেও বার বার সংশ্লিষ্টরা আশ্বাস দেন কিন্তু কোন উন্নতি হয়নি, অন্য বছরের চেয়ে এ বছর বিদ্যুৎ বিভ্রাট অনেকে বেশি।

নবীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এমন ভেলকীবাজী ও অব্যবস্থাপনা এবং স্বোচ্ছাচারিতার কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের প্রতি তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পল্লী বিদুতের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনে মাঠে নামেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

এরই ধারাবাহিকতায় নবীগঞ্জবাসীর ব্যানারে সর্বদলীয়ভাবে মঙ্গলবার দুপুরে শহরের নতুন বাজার মোড়ে শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

আন্দোলন চলাকালীন সময়ে নবীগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গণি ওসমানী, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ এটিএম সালাম উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের দাবি অচিরেই সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা তাদের অবরোধ ও আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।
আগামী সাতদিনের ভেতরে পল্লী বিদ্যুতের সব সমস্যা সমাধান না হলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

মতিউর রহমান মুন্না/নবীগঞ্জ