নবীগঞ্জে গত বেশ কয়েকদিন যাবত পেঁয়াজের দাম জনসাধারণের নাগালের বাইরে। অবশেষে গত সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযান চালিয়ে কয়েকটি দোকানের মালিককে জরিমানা করেন।

তিনি উপস্থিত থেকে ৫৫ টাকা কেজি ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করান। এসময় তিনি ব্যবসায়ীদের হুশিয়ারি করে বলেন- পেঁয়াজের কেজি ৫৫-৬০ টাকার বেশি রাখলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। এদিকে এর পর থেকেই পেয়াজের পাশাপাশি গুজবে যুক্ত হয়েছে লবণ।

লবণের প্রতি কেজি হবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা এমন গুজবে ভাসছে পুরো নবীগঞ্জ উপজেলা।

এর ফলে গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে নবীগঞ্জ শহরসহ ইনাতগঞ্জ, গজনাইপুর, আউশকান্দিসহ বিভিনś ইউনিয়নের প্রায় প্রত্যেকটি বাজারে হঠাৎ লবণের দাম বৃদ্ধি করে দেন ব্যবসায়ীরা।

প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দাম হাঁকাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। শুরু হয় লবণ কেনার হিড়িক। লবণের স্বাভাবিক দাম ৩০ টাকা হলেও দাম বাড়ার সংবাদটি জানার পর প্রতিটি বাজারের প্রত্যেক দোকানে ৫০/৬০ টাকা কেজিতে মানুষ লাইন ধরে লবন কিনতে দেখা যায়। একেকটা দোকানে ব্যবসায়ীরা ৫ থেকে ১০ মন করে লবন বিক্রি করেছেন।

ছোটখাটো মুদি দোকানিরা ও যে যার মত করে লবণ বিক্রি করছেন। এক ঘন্টার মধ্য প্রায় দোকানেই লবণ শুন্য হয়ে পড়ে। মঙ্গলবার থেকে লবণের প্রতি কেজি হবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা এমন গুজবে ভাসছে পুরো উপজেলা।

এদিকে এসব গুজব ছড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা ব্যক্তিগতভাবে লবণের দাম বাড়িয়ে বিক্রি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের সামিল বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনরা।

এদিকে গুজবের খবর পেয়ে রাত ১১টায় নবীগঞ্জ থানার একদল পুলিশ শহরে টহল দেয়। গুজবে কান না দিতে প্রশাসনকে আহবান জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন হাসান বলেন, যেসব ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় ব্যাক্তগত দাম বাড়াবে তাদেরকে জরিমানা করা হবে। যারা গুজব ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে

-মতিউর রহমান/নবীগঞ্জ