বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার দুটি ইউনিয়নের আঞ্চলিক সড়কের তিনটি ভাঙা কালভার্ট এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াত ও পণ্য পরিবহের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এতে করে চরম দূর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ।

ভাঙা এ কালভাট গুলোর অবস্থান হলো, উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কহুলি-কুন্দারহাট সংযোগ সড়কের বেলগাড়ী নামক স্থানে ও ভাটগ্রাম ইউনিয়নের হাটকড়ই-মাটিহাঁস সংযোগ সড়কের টিনপট্টি ও চক কড়ই এলাকায়। কালভাট গুলো পারাপারে প্রতিনিয়িত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান, চারমাস ধরে কহুলি-কুন্দারহাট সংযোগ সড়কের বেলগাড়ীতে কালভার্টের ছাদের অংশ ভেঙে গেছে। ভেঙে যাওয়া অংশটি বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভাঙা কালভার্টের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে পথচারীরা। শুধু ভেঙে যাওয়া অংশই নয় পুরো কালভার্টটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। অপরদিকে সাত মাস আগে হাটকড়ই-মাটিহাঁস সংযোগ সড়কের টিনপট্টি নামক স্থানে ও চক কড়ই এলাকায় কালভার্ট ভেঙে পড়েছে। এ কারণে ওই এলাকার সাধারন মানুষ দূর্ভোগে পড়েছে। তারা যানবাহনে করে সরাসরি কোথাও যেতে পারছেন না। সিএনজি, ট্রাক, বড় ভটভটি হাটকড়ই থেকে মাটিহাঁস গ্রামে চলাচল করতে পারছে না।

কহুলি গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম জানান, এ সড়ক ধরেই আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে আসতে হয় এছাড়াও এই সড়ক দিয়েই স্কুল কলেজে যেতে হয় শিক্ষার্থীদের। হাটবাজারে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া হয় এ পথেই। কালভার্টটির ছাদের অংশ ভেঙে গেছে। ফলে ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনসহ এলাকার মানুষ চলাচল করছে। এ ভাঙা কালভাটটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। তিনি দ্রুত নতুন কালভার্ট নির্মাণে জন্য জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রশাসনের নিকট দাবি জানান ।

এবিষয়ে ভাটগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি জানান, ভাঙা কালভার্ট গুলো দ্রুত নির্মাণের চেষ্টা করছি।

উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া কালভার্টগুলো তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকাগুলো অনুমোদন হয়ে এলেই টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ করা হবে।

আজকের পত্রিকা/তাছলিমা আজম/নন্দীগ্রাম প্রতিনিধি