এটি পাইলট এর চোখ ও ক্রিটিকাল মোমেন্ট এ মনঃসংযোগ এর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর৷ ছবি : সংগৃহীত

মানসিক বিকৃতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বাংলাদেশে। নিজের কাছে যা শুধুমাত্র মজা অন্যের কাছে তা হতে পারে প্রাণঘাতী। বলা যেতে পারে ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা।

দ্রুত গতির চলন্ত ট্রেনে ঢিল মেরে আনন্দ পেতে চায় কিছু বখাটে। ঢিল মারা লোকরা হয়তো এতে আনন্দ পায়। কিন্তু ট্রেনের ভেতর থাকা মানুষগুলো জন্য এটি প্রাণঘাতী। এ ধরনের ঘটনায় অনেক ট্রেনযাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। বিস্তর লেখালেখি হয়েছে এ নিয়ে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নানা উদ্যোগ নিয়েছে এ বিষয়ে। ফলে ট্রেনে ঢিল ছোড়ার ঘটনা অনেক কমে এসেছে। তবে তা বন্ধ হয়নি একেবারে।

তবে এবার বিপত্তি ঘটছে আরো বড় প্রেক্ষিতে। শুধু মাত্র মজা পাওয়ার জন্য কিছু বিকারগ্রস্ত লোক প্লেনের ককপিটে পাইলটের চোখ লক্ষ্য করে লেজার রশ্মি ছুড়ছে। এর পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে। ঘটতে পারে বিমান দুর্ঘটনাও।

কয়েক মাস ধরে এটা অনেক বেড়ে গেছে। এখনো বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি তাই কেউ পাত্তা দিচ্ছে না।

প্লেন ল্যান্ডিং এবং টেকঅফ এর সময় লো অল্টিটিউড এ থাকে বলে কতিপয় লোকজন রাতের বেলা প্লেন এর ককপিট সই করে লেজার মারে। যা পাইলট এর চোখ এর জন্য ও ক্রিটিকাল মোমেন্ট এ মনঃসংযোগ এর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর৷

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের ম্যানেজার উইং কমান্ডার এ বি এম সারোয়ার ই জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমাদের বিমানবন্দরে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে আমরা শুনেছি অন্য বিমানবন্দরে এমন ঘটনার কথা। এটি দুঃখজনক। দ্রুত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কোনো দুর্ঘটনার আগে এখনই সচেতন হতে হবে এ নিয়ে। এই ধরনের কাজ করা দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সময় এখনই।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস