ধূমপান বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি প্রয়োজন কঠোর আইন প্রয়োগ। ছবি : সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে “ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫” প্রণয়ন করেছেন। উল্লেখিত আইনের ৪(১) ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে সরকার ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

সম্প্রতি বিআরটিএ-র আওতাধীন সকল পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে দু’টি নিদের্শনাপত্র জারি করে। এর মধ্যে একটি হলো, বিআরটিএ সদর কার্যালয় ও সকল বিভাগীয় অফিস এবং সার্কেল অফিস সমূহকে ”ধূমপান মুক্ত এলাকা” ঘোষণা এবং এ আইন অনুযায়ী সর্তকবার্তা অফিসের দৃশ্যমান স্থানে একাধিক জায়গায় প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

অপরটি হলো, পাবলিক পরিবহনে ধূমপান রোধে জনসচেতনা বৃদ্ধির জন্য আইনের ধারা ৮ অনুসারে সকল পাবলিক পরিবহনে “ধূমপান হতে বিরত থাকুন, ইহা শাস্তিযোগ্য অপরাধ” সম্বলিত নোটিস বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় প্রদর্শন করার নিদের্শনা প্রদান করে। নিদের্শনাটি আগামী দু’মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়। অন্যথায় আগামী ০১/০৮/২০১৯ তারিখ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীকে আইন অনুসারে জরিমানা আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মো. মশিয়ার রহমান।

আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সাথে অ্যাডভোকেসি করছে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটির সাথে ২৫/০৩/২০১৯ তারিখ মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি অ্যাডভোকেসি সভায় উপরোক্ত পদক্ষেপ সমূহ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় বিআরটি-এ।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস/জেবি