বিএসটিআই ভবন ও লোগো। ছবি: আজকের পত্রিকা

বিএসটিআই থেকে লাইসেন্স ও ওজন যন্ত্রের ভেরিফিকেশন গ্রহণ না করা এবং পরিমাপে কারচুপির অপরাধে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)।

১৩ মে সোমবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করা হয়।

বিএসটিআই’র লাইসেন্স ব্যতীত পণ্য বিক্রি করায় রাজধানীর ভাটার এলাকার আল মদিনা বেকারি বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য পরিবেশন করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে বনানী এলাকার আহীলি কাবা এন্ড রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার, শালিমার গার্ডেন রোজকে ২০ হাজার এবং গুলশান এলাকার ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পণ্যের মোড়কে ওজন, মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের পরিচিতি উল্লেখ না করায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে মেসার্স ইয়ামি ইয়ামি, মেসার্স আগুরা সুপার স্টোর এবং মেসার্স ইউনিমার্স লিঃ-এর ৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিএসটিআই’র লাইসেন্স গ্রহণ না করে পণ্য বিক্রির অপরাধে নীলফামারীর সৈয়দপুরের নিচা বাজার এলাকার মেসার্স শাহীন লাচ্চা সেমাই, দিনাজপুরের ফুলবাড়ি এলাকার মেসার্স জলসা এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মেসার্স সান বেকারির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সিলেটের সিটি সুপার মার্কেটের সান এন্টারপ্রাইজ লেবেলবিহীন পণ্য এবং বিএসটিআই সনদ গ্রহণ না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং বিসিক শিল্প নগরীর মধুপুর ফডি প্রোডাক্টস এর বিরুদ্ধে ওজনযন্ত্রের ভেরিফিকেশন সনদ না থাকায় মামলা দায়ের করা হয়।

বিএসটিআই থেকে ভেরিফিকেশন সনদ গ্রহন ব্যতীত ওজনযন্ত্র ব্যবহার করায় কুমিল্লার কোটবাড়ি আদর্শ রোড এলাকার মুরগী ও মুদি দোকানের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়।

রাজশাহীর সাহেববাজার এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য পরিবেশন করায় মেসার্স নবরুপ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ২ হাজার, শিবগঞ্জ সুইটসকে ১০ হাজার, জসীমের মুরগীর দোকানকে ৫ হাজার, সবুরের মাছের দোকানকে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইলিয়াসের মুরগীর দোকানকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আজকের পত্রিকা/এমইউ