অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা।

গ্রেফতার করা হয়েছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এক তরুণীকে ২ দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে। তারা হলেন, সাটুরিয়া থানায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম।

১২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী ১১ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে সাটুরিয়া থানায় অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

অভিযোগে জানা গেছে, ২০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী ওই তরুণী তার এক খালার সাথে ৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকালে আশুলিয়া থেকে সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ পাওনা টাকা নেয়ার জন্য আসেন। সেখান থেকে ওই পুলিশ কর্মকর্তা দুইজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাক-বাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পর বাংলাতে উপস্থিত হন একই থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম। ওই তরুণীর অভিযোগ, দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাংলাতে তাকে ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। এক পর্যায়ে তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করে ২দিন আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।

৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে ৫ হাজার টাকা দিয়ে দুই জনকে ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ওই তরুণী দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রোববার লিখিত অভিযোগ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করে ২ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই তরুণীর মেডিক্যাল পরীক্ষা ১১ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতেই সম্পন্ন হয়েছে। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোরে অভিযুক্ত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়।