ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে সারাদেশে ২৩৬২টি কোরবানির পশুর হাট বসেছে। দুই-একদিন আগে থেকেই এ হাটগুলোতে কেনা-বেচা জমে ওঠেছে। ১১ আগস্ট রবিবার শেষদিনে রাজধানী ঢাকায় গাবতলীসহ দুই সিটি কর্পোরেশনে ২৪টি পশুর হাটে সকাল থেকেই কেনা-বেচা বেড়েছে।

রাজধানীর দুই সিটি কর্পোরেশনের আওতায় ২৩টি হাট বসেছে। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (ডিএনসিসি) ১০টি এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) ১৪টি পশুর হাট বসেছে। এবার পশুর হাটে সরকারিভাবে শতকরা ৬ টাকা হারে হাসিল ধার্য করা হয়েছে।

ঢাকাসহ রাজধানীর বাইরের পশুর হাটগুলোতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রত্যেক হাটে পুলিশের কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার বসানো আছে। জাল নোট শনাক্তকরণেও বসানো হয়েছে বিশেষ বুথ। এছাড়া যারা হাট ইজারা নিয়েছেন, তাদের পক্ষ থেকে পশুর মল-মূত্র ও ময়লা নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে।

এবার উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যা হওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী আগেভাগেই গাবতলী হাটে গরু নিয়ে এসেছেন।
পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে রাজধানীর বাজারে কুরবানীর পশু আসছে।

ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় এবার বড় গরুর চেয়ে ছোট গরুর চাহিদা বেশি। কোরবানির জন্য মানুষ ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার গরুই পছন্দ করছেন। এছাড়া ৭০ থেকে ৮০ হাজার এবং ৯০ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে গুরু কেনাবেচা চলছে। মধ্যবয়সী গুরুর চাহিদা অনেক বেশি।

আজকের পত্রিকা/সিফাত