ছবি: দেশীদশ

২০০৯ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল দেশীয় তাঁত ও কারুশিল্পীদের কাজ নিয়ে নিবিষ্টভাবে নিয়োজিত দশটি প্রতিষ্ঠানের একটি নতুন উদ্যােগ ‘দেশীদশ’। বাংলাদেশের ফ্যাশন প্রসারে দেশীদশ নতুনধারার পথিকৃত হিসেবে অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে এই শিল্পের সামগ্রিক পরিমন্ডল।

২০০৯ সালের ২০আগষ্ট সূচনা। এরপর সময়প্রবাহে অতিবাহিত হয়েছে দশটি বছর। বাংলাদেশের ফ্যাশন অনুরাগীদের ভালোবাসা আর পৃষ্টপোষণায় ব্যক্তিগত উদ্যােগ শাখা ছড়িয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। র্বতমানে দেশীয় ফ্যাশনশিল্পের অন্যতম ১০টি ফ্যাশন হাউজ: নিপুণ, কে ক্র্যাফট, অঞ্জন’স, রঙ বাংলাদেশ, বাংলার মেলা, সাদাকালো, বিবিয়ানা, দেশাল, নগরদোলা ও সৃষ্টি দেশীদশ’র সদস্য। যাদের উদ্দেশ্যে দেশীয় কৃষ্টি সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে এ দেশের তাঁত কারু ও বয়নশিল্পের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি সাধন করা।

দেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনুরাগীদের সর্মথন ও পৃষ্ঠপোষণায় দেশীদশ কলেবরে বড় হয়েছে। র্বতমান এর মোট বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৬টি, ঢাকায় ২টা ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়া ও নারায়ণগঞ্জে রয়েছে দেশীদশ। দশ বছর পূর্তিতে সব শুভানুধ্যায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে দেশীদশ।

গুলশান শাে-রুমে দেশীদশরে উদ্যােক্তাগণ সবাই মিলে কেক কেটে অনাড়ম্বরভাবে ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন এবং দেশীয় ফ্যাশনকে এগিয়ে নিতে সকলের অব্যাহত সর্মথনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। দেশীদশের উদ্যােক্তারা জানান ১০ বছর পূর্তি প্রাক্কালে বসুন্ধরা সিটির দেশীদশ নতুন সাজে সাজবে। ক্রেতা সাধারণের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে খেয়াল রেখে নতুনরুপে তৈরি হবে বসুন্ধরা সিটির দেশীদশ। এই সংস্কার ও নতুন করে ডেকোরেশনের জন্যে বেশ কিছু দিন বন্ধ থাকবে এই শো-রুমটি। অন্য শো-রুমগুলো যথারীতি খোলা থাকবে।