এ বছরের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ‘মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে’। ছবি: সংগৃহীত

বাংলা নববর্ষ ১৪২৬। নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার উৎসবে মেতেছে পুরো দেশ। সারাদেশ জুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা। প্রতিবারের ন্যায় বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিয়েছে ছায়ানট। ১৪ এপ্রিল রবিবার ভোর সোয়া ছয়টার দিকে রমনার বটমূলে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়।

ছায়ানটের আয়োজনে ভোরেই রমনার বটমূলে নানা শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষের সমাগম ঘটে। তাদের পরনে ছিল রঙিন পোশাক। চোখে-মুখে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

নিরাপত্তাব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হয় ছায়ানটের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। তল্লাশির পর সবাইকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে মোহিত হয়ে থাকেন আগত দর্শক–শ্রোতা।

সকাল সাড়ে নয়টার আগেই বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঐতিহ্য অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। অংশ নেন প্রতিষ্ঠানের অন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ।

সকলের মাঝে নববর্ষের আমেজ।

আজকের শোভাযাত্রায় ছিল মূল আটটি শিল্পকাঠামো। সবই চেনাজানা। বাঘের মুখ থেকে কাঁটা তোলার চিরায়ত গল্পটি উপস্থাপিত হয়েছে বাঘ ও বকের অনুষঙ্গে। মঙ্গলের বার্তা পেঁচা। সমৃদ্ধির কথা বলেছে ছাগল আর সিংহের সমন্বয়ের বিশেষ মোটিভ। লোকজ ঐতিহ্যের চিত্র মেলে ধরেছে গাজির পটের গাছ। এ ছাড়া অনুষঙ্গের মধ্যে ছিল দুই মাথা ঘোড়া, দুই পাখি, কাঠঠোকরা। ছিল পঙ্খিরাজ ঘোড়ায় সওয়ার মানুষ।

চারুকলা থেকে বের হয়ে শাহবাগ মোড় হয়ে শিশুপার্কের সামনে দিয়ে ঘুরে আবার টিএসসি হয়ে পুনরায় শাহবাগে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা শোভাযাত্রা।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস/জেবি