ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজার মন্ডপ। ছবি : ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিডি

১০ ফেব্রুয়ারি রবিবার সরস্বতী পূজা পালন করবেন দেশের সনাতন ধর্মালম্বীরা। হিন্দুধর্ম মতে, বিদ্যার দেবী সরস্বতী। হিন্দু শিক্ষার্থীরা দেবীর আশীর্বাদ লাভের আশায় প্রতিবছর পঞ্জিকামতে মাঘ মাসের পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী দেবীর পূজা করে থাকেন। এ পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে বাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ করা হয়েছে অস্থায়ী মন্দির। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূজা পালনে শিক্ষার্থীদের মাঝে চলছে বিপুল প্রস্তুতি। ঢাকায় কেন্দ্রিয়ভাবে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এ পূজা পালিত হবে।

ঢাকা মহানগর সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোর কুমার বসু রায় চৌধুরী পিন্টু জানান, পঞ্জিকা মাফিক পূজার লগ্ন রবিবার সকাল ১০ টা ৫৫ মিনিটে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এ সময় পূজার আচার অনুষ্ঠান শুরু হবে। এছাড়া পুরো ঢাকায় প্রায় ৩০০ স্থায়ী ও অস্থায়ী মণ্ডপে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হবে বলে জানান তিনি।

পূজার উদ্দীপনা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে পুরান ঢাকায়। ঢাকার তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজারের মোড়ে মোড়ে তৈরি করা হয়েছে মণ্ডপ।

তাঁতীবাজারের উদীয়মান সূর্য সংসদের সভাপতি সজীব দেব জানান, এই পূজার ব্যাপকতা অনেক বেশি। কারণ একই সঙ্গে বাড়ি, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- সব জায়গায়ই দেবী সরস্বতীর আরাধনা চলে। তিনি জানান, এবারের তাঁতীবাজারের পূজায় বিশেষ আকর্ষণ থাকছে দুটি মণ্ডপে। একটি মণ্ডপে সন্দেশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে দেবীর প্রতিমা। আরেকটি মণ্ডপে কাচের তৈরি প্রতিমা নির্মিত হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কিশোর কুমার বসু রায় চৌধুরী পিন্টু বলেন, এখন দেশে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সাম্প্রদায়িক কোনো হুমকি দেশে নেই। তাই হিন্দু, মুসলমান মিলে মিশেই এবারের পূজা পালিত হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ অন্যান্য ছাত্রাবাসে ও বিভাগে সরস্বতী পূজা পালনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।