৯৬টি তরল দুধের নমুনা পরীক্ষা করে ৯৩টিতেই পাওয়া গেছে সীসাসহ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান। ছবি : সংগৃহীত

কোন কোন কোম্পানির তরল দুধে ভেজাল ও ক্ষতিকার পদার্থ আছে সেগুলোর নামসহ পরিপূর্ণ প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট। আর পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রতিবেদন দিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) কে নির্দেশ দেয়া হয়। আর পরিপূর্ণ প্রতিবেদন দিতে এক মাস সময় চেয়েছে বিএসটিআই। আর এ বিষয়ে পরবর্তি আদেশের জন্য ১৬ জুন সময় নির্ধারণ করেছে আদালত।

আদালত প্রশ্ন তুলে বলেছে কিভাবে ভেজাল দুধে বাজার সয়লাব হয় সে বিষয়ে বিএসটিআইয়ের বিবেক কি দংশন করে না! এত বড় একটি জনস্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে বিএসটিআইয়ের নিরবতায় বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।

উল্লেখ্য, বাজারের ৯৬টি তরল দুধের নমুনা পরীক্ষা করে ৯৩টিতেই সীসাসহ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে। হাইকোর্টে দাখিলকৃত তাদের রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে বলা হয়, প্যাকেটজাত তরল দুধের ৩১টির মধ্যে ১৮টিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। বাজারজাত দুধে সীসা ও বিষাক্ত পদার্থ মেশানো হয়, হাইকোর্টের দেয়া এমন রুলের জবাবে বিএসটিআই ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করে।

দুধে বিষাক্ত বস্তু মেশানোর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে রিপোর্ট দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৫ মে দিন ধার্য করেছে আদালত। সেইসঙ্গে রাজধানী ঢাকার কোন কোন এলাকায় ওয়াসার পানি বেশি খারাপ সে তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার পানি পরীক্ষা করে হাইকোর্টে দাখিল করার কথা থাকলেও ওয়াসা জানিয়েছে, তাদের ৩টি ল্যাবে একযোগে এই পরীক্ষা করলেও ৩ মাস সময় প্রয়োজন।

আজকের পত্রিকা/আদালত/আ.স্ব