রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সারাদেশের সমালোচনার মধ্যমণি যখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ; ঠিক সে সময়ে যেন আলোচনায় একধাপ এগিয়ে থাকতে চাইছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। অনৈতিক কর্মকান্ড, দখলদারি, দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষে যেন অশান্ত এক ছাত্রলীগ বিরাজমান ক্যাম্পাসে।

সাংবাদিকের সিট দখল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতির উপস্থিতিতে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল রাব্বানীর বাইক নিয়ে শহীদ মিনারে উঠে পড়া, বান্ধবীসহ মাদারবখ্শ হলের গেস্টরুমে বসা নিয়ে দু-পক্ষের সংঘর্ষসহ বিভিন্ন জঞ্জালে অরাজকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে ক্যাম্পাসে। ফলে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, গতকাল যখন ভিডিওতে মারামারির ঘটনা দেখা যায় তারপর থেকে ক্যাম্পাসে বের হতে ভয় লাগা শুরু হয়েছে। কখন কি অবস্থা হয় তা নিয়ে শঙ্কায় থাকতে হচ্ছে। পরিবারের কেউ এসব জানলে দুশ্চিন্তায় থাকছেন। এমতাবস্থায় প্রশাসন বা ছাত্রলীগের উচিত সবকিছু স্বাভাবিক করা।

সোহরাওয়ার্দী হলের সাইফ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এই অবস্থায় একটু আশঙ্কা কাজ করেই। হলের সামনেই মারামারির ঘটনা ঘটেছে, সেটি নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভয় হচ্ছে কারণ- বের হলেই যদি মারামারির ভিতরে পড়ে যেতে হয় বা কখন কোন নেতা এসে সিট দখল করে নেয় ইত্যাদিসহ নানান ভয় থাকে এসব ঘটনা দেখলে বা শুনলে।

এসব অশান্ত পরিস্থিতির বিষয়ে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এরকম বড় কোনো অরাজক পরিস্থিতি কখনো তৈরি হয় নি। মাঝেমধ্যে ছোট-খাট কিছু সমস্যা তৈরি করে কর্মীরা। মাদারবখ্শ হলে গেস্টরুমে বসা নিয়ে যে মারামারি হয়েছে সেটা অনাকাঙ্খিত। নামাজের সময় ঘটনার শুরু। তারপর আমি এবং সভাপতি গিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি সবকিছু। এরকম ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশা করছি।

এমএ জাহাঙ্গীর/রাবি