জন্মনিবন্ধন জাল করে বয়স বাড়িয়ে বিয়ে দেয়ার সময় খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শামসুন্নাহার নামে ৯ম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীর বাল্য বিবাহ ঠেকালেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ। ইউএনও‘র সময়োচিত পদক্ষেপে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা পায় ছোট মেরুং আশরাফিয়া দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী শামসুন্নাহার।

এসময় জন্মনিবন্ধন জাল করে বয়স বাড়িয়ে বাল্য বিবাহ দেয়ার অপরাধে মেয়েটি’র পিতা মো. নুরন্নবীকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। শুক্রবার বিকালের দিকে দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের বড় মেরুং এলাকার মসজিদ টিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জন্মনিবন্ধন সনদ জাল করে বয়স বাড়িয়ে মাদরাসা ছাত্রীকে বাল্য বিবাহ দেওয়া হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকালের দিকে দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের বড় মেরুং এলাকার মসজিদ টিলা গ্রামের বিয়ে বাড়িতে হাজির হন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্যাহ। এসময় ঘটনার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষনিক বাল্য বিবাহ বন্ধ করে দেন তিনি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ উল্ল্যাহ জানান, জাল জন্মনিবন্ধন প্রস্তুত করে বয়স বাড়িয়ে বাল্য বিবাহ দেওয়া হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। ঘটনার সত্যতা পেয়ে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন -২০১৭ এর ৮ ধারা অনুযায়ী মেয়েটির পিতা মো. নুরুন্নবীকে ছয় মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে জাল জন্মনিবন্ধন সনদ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এমআরবি/খাগড়াছড়ি