সরকারের হাতে পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে, ত্রাণের কোন ঘাটতি নেই। সকলেই ত্রাণ পেয়েছে। বন্যা উপদ্রুত এলাকাগুলোতে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গত ২ তারিখের ত্রাণ পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। প্রতিটি জেলায় ৯শ’ থেকে ১১শ’ টন চাল পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে। সেই সাথে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা নগদ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি গবাদি পশু ও শিশু খাদ্যের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, কুশিয়ারা নদীর হবিগঞ্জ অংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, গ্যাসক্ষেত্র সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। সে কারণেই কুশিয়ারা নদীর উভয় পাড়ের ৭.৪ কিলোমিটার বাধ রক্ষা ও ১৭৬ কিলোমিটার ড্রেজিংয়ের জন্য ৫৭৮ কোটি টাকার ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। সেটি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে আছে।

খুব শীঘ্রই একনেকে অনুমোদনের পর চলতি বছরেই এর কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নবীগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর মেরামত কাজ ও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তারা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

পরে নবীগঞ্জের কসবা পূর্ব মাঠ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সংসদ সদস্য গাজী মোঃ শাহ নওয়াজ মিলাদ, ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল, সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ-বিন-হাসান, থানার ওসি মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য এড. সুলতান মাহমুদ, নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ মিলু প্রমূখ।