চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন ভুলু

লক্ষ্মীপুরে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর গাছপালা বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের কাছে অভিযোগ দিয়েও বিচার না পেয়ে আদালতে সিআর ৪৩২/১৯ মামলা করেছে প্রবাসী বশির আহম্মদের স্ত্রী পিয়ারা বেগম।

মামলায় তেওয়ারীগঞ্জ ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যানকেও আসামি করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

২৫ জুন মঙ্গলবার মামলার বাদী পিয়ারা বেগম সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদনের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছেন মামলার বাদী পিয়ারা বেগম।

মামলার আসামীরা হলেন, সদর উপজেলার চরমটুয়া গ্রামের মৃত সুলতানের ছেলে আমির হোসেন (৩৫), মৃত জুইন্যা ছেলে মোঃ সিরাজ (৪০), স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ সফিক উল্যাহ ও তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন ভুলু।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মামলার বাদী পিয়ারা বেগমের স্বামী ওমান প্রবাসী। সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমটুয়া গ্রামের আমির হোসেন ও সিরাজ দীর্ঘদিন থেকে ২লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি তরে আসছে। দাবীকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ১৭ মে (শুক্রবার) বিকেলে ওই প্রবাসীর গাছগাছড়া কেটে বিনষ্ট করে পেলে।

এসময় পিয়ারা বেগম বাঁধা দিলে তাকে ও তার মেয়ে নাজমুন নাহারকে শ্লীলতাহানী সহ বেদড়ক মারধর করে। এসময় জোরপূর্বক স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন ভুলু ও ইউপি সদস্য মোঃ সফিক উল্যাহকে জানালে বিচার না করেই উল্টো দাবিকৃত চাঁদা দেওয়ার জন্য বলে এবং তা না হলে শান্তিতে বসবাস করা যাবেনা বলে জানান ওই ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন ওই প্রবাসীর স্ত্রী।

পিয়ারা বেগম জানান, মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন ভুলুকে আসামী করায় তদন্ত কর্মকর্তার সামনে আমাদেরকে হুমকীসহ আমার বৃদ্ধ বাবাকে লাথি মারেন। এর পর থেকে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছি।

জানতে চাইলে তেওয়ারীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ওমর হোসাইন ভুলু অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টির সাথে আমি জড়িত নয়। এনিয়ে থানায় বৈঠক হয়েছিল সত্য তবে কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

মোঃ সোহেল রানা/লক্ষ্মীপুর