পরমাণু সমৃদ্ধ দেশগুলো বিশ্বরাজনীতিতে নীতি-নির্ধারকের ভূমিকা পালন করে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখছে এ ধরনের অস্ত্র। ফলে পরমাণু অস্ত্রের এই প্রভাব বিবেচনায় বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যিপ এরদোগান।

নিজের দেশে পরমাণু অস্ত্র না থাকাটা যেন এরদোগান মানতেই পারছেন না। যদিও এই অস্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে কোনো চিন্তা আছে কি-না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

৪ সেপ্টেম্বর বুধবার পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিভাসে ক্ষমতাসীন একেপির একটি সমাবেশে বক্তৃতাকালে এরদোগানের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

এরদোগান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বেশ কিছু দেশের পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র বা মিসাইল রয়েছে, তাও কেবল এক-দু’টো নয়। কিন্তু আমাদের এ ধরনের অস্ত্র থাকতে পারবে না। এটা আমি মানতে পারি না। এমন কোনো উন্নত দেশ নেই যাদের কাছে তা (পরমাণু অস্ত্র) নেই।’

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতার দেশ তুরস্ক বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে অন্যতম নীতি-নির্ধারকের ভূমিকায় রয়েছে। অস্ত্র কেনার দিক থেকে তারা সামনে থাকলেও এশিয়া-ইউরোপের সংযোগস্থলের এ দেশটি পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত দু’টি প্রধান চুক্তিতেই স্বাক্ষরকারী।

আজকের পত্রিকা/সিফাত