বেরোবিতে তালা দেয়া হয় রেজিস্ট্রারের রোমে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারী বান্ধব পদোন্নতি/আপগ্রেডেশন নীতিমালা বাস্তবায়ন, ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান এবং ১০ম গ্রেড প্রাপ্ত ২৫ জনকে কর্মকর্তার পদমর্যদা প্রদান ও মাস্টার রোল কর্মচারীদের চাকুরী স্থায়ী করণের দাবিতে ১১ তম দিন রবিবার সকাল ১০ টা থেকে কর্মবিরতি পালন করছে কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নামে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের একটি সংগঠন।

এসময় আন্দোলনের অংশ হিসেবে দুপুর ১ টায় রেজিস্টার দপ্তরে তালা লাগিয়ে দেন তারা। এসময় রেজিস্টারকে ক্যাম্পাসে অবাি ত ঘোষণার কথাও বলেন তারা।

সরেজমিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে দেখা যায়, কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থেকে রেজিস্ট্রারের রুমের সামনে সমবেত হয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে।

এসময় তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী ইউনিয়নের প্রধান সমন্বয়ক বাবু বলেন, আমরা বারবার যে জিনিসটা জানতে চেয়েছি এ ব্যপারে বিভিন্ন আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে কিন্তু আমরা এসব আশ্বাস প্রশ্বাসে বিশ্বাস করিনা। আমরা এটার দৃশ্যমান সমাধান চাই। গত বুধবারে আমরা তাদের সাথে বসে দুই কার্যদিবসের সময় দিয়েছি।

রবিবার আমরা দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম কিন্তু তারা এ পর্যন্ত কোন ধরণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। যেহেতু রেজিস্টার ভিসির পরেই আমাদের সর্বোচ্চ অভিভাবক তাই আমরা আমাদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে রেজিস্টার দপ্তরে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের তিনটি দাবীর সমাধান করে না দেওয়া হয় ততদিন পর্যন্ত আমরা এই আন্দোলন সংগ্রাম থেকে পিছপা হবোনা।

আজ আমরা রেজিস্টার দপ্তরে তালা ঝুলিয়েছে। প্রয়োজন হলে এর পরে আমরা প্রশাসনিক ভবনের দুইপাশে তালা লাগাবো।

জাকির হোসেন/বেরোবি