মেহেরপুরের বোমা

অবশেষে তিনদিন পর নিষ্ক্রিয় করা হলো মেহেরপুরের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ের গেটের পাশে পাওয়া বোমাটি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল দল বোমাটি বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে। ইলেকট্রিক ডিভাইসযুক্ত বস্তুটি বোমা ছিল বলে নিশ্চিত করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

এর আগে, শনিবার সকালে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী টিমের মোদাচ্ছের কাউছারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের বোমা বিশেষজ্ঞ দল ও পরিদর্শক ইসরাফিল ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের অপর একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে আসে। সকাল ৮টার দিকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক ইসরাফিল ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ৬ সদস্যের তদন্ত দল কাজ শুরু করে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর পরিদর্শক মোদাচ্ছের কাউছারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের বোমা বিশেষজ্ঞ দল বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটান।

এ সময় বোমাটির পাশে ‘আনসারুল ইসলাম’ জঙ্গি গোষ্ঠির লেখা একটি চিরকুট পাওয়া যায়।

গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে মেহেরপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের পাশে একটি ব্যাগের মধ্যে ডিভাইসযুক্ত বোমাটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে থানা পুলিশ ওই দিন থেকেই ঘিরে রাখে ঘটনাস্থল। এর মধ্যে র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ দল খুলনা থেকে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে তাদের কাছে এ ধরনের বোমা নিষ্ক্রিয় করার কোনো যন্ত্র না থাকায় তারা ফিরে যান। পরে ঢাকা থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের দু’টি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে আসে।

এদিকে বোমার ব্যাগটির পাশেই আনসারুল্লাহ ইসলামী জঙ্গি সংগঠন লেখা একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেই চিরকুটের কারণেই এলাকাই আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।