তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শাস্তি অবশ্যই একদিন কার্যকর করা হবে। তিনি বলেন, ‘শিষ্টাচার বিএনপির থেকে শিখতে হবে না। বিএনপি নেতাদের উচিত খালেদা জিয়াকে শিষ্টাচার শেখানো।’

১০ জুন সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারেক রহমান দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত ও ২১ আগস্ট হামলা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।’

তিনি বলেন, ‘আইনগতভাবে বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন। আদালত কারো বিরুদ্ধে দণ্ড দিলে সেটি যদি সরকারি কর্মকর্তা হয়, এমন সরকার দলীয় এমপিও হয় তার বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকর করা সরকার ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোনো শাস্তিপ্রাপ্ত আসামির শাস্তি নিশ্চিত করা।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের অবস্থা দেখে আমার হাসি পায়, আবার করুণাও হয়। তাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য নেই। তাদের অনেক নেতা দল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। এজন্য ঐক্য ধরে রাখতে তারা নাকি আজ বৈঠক ডেকেছে। যাদের নিজেদের মধ্যে ঐক্য নেই তারা কীভাবে আন্দোলন করবে।’

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন নেতা ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। যারা নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে পারে না তারা সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য করার ঘোষণা দেয়। এগুলো সব হাস্যকর।’

রুমিন ফারহানা সংসদকে অবৈধ বলেছেন এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নিজেকেই অবৈধ বলেছেন। তার মানে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনিও অবৈধ। তাদের কাজ ও কথার ঠিক নাই। প্রথমে বলেছেন, কোন অবস্থায় তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না। পরে তারা শপথ নিলেন, এমনকি নারী সংসদ সদস্যের ভারটাও নিলেন।’

ঐক্যফ্রন্ট প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অবস্থা দেখে আমার হাসিও পায়, আবার করুণাও হয়। তারা বারবার বলে আসছিলেন- বৃহত্তর ঐক্য, জাতীয় ঐক্য এবং ফ্রন্টের নাম ঐক্যফ্রন্ট। এখন ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য নেই। ঐক্য ধরে রাখার জন্য নাকি তারা বৈঠক ডেকেছে। অর্থাৎ তাদের মধ্যেই ঐক্য নাই।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং টেলিফোন করেছেন। টেলিফোনে খালেদা জিয়া যে ভাষায় কথা বলেছেন, সেটি সমস্ত শিষ্টাচার বহির্ভূত ছিল’।

আজকের পত্রিকা/আর.বি