২০১৭ সালের সাড়া জাগানো ভৌতিক ছবি ‘ইট’-এর কথা ভুলে যাননি নিশ্চয়ই দর্শকরা। ভৌতিক চলচ্চিত্রের জগতে অন্যতম শীর্ষ ছবি ‘কনজিউরিং’কে রীতিমতো হার মানিয়েছে এটি।

এমন একটি সিনেমার সিক্যুয়েলের জন্য দর্শকরা মুখিয়ে থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক। অপেক্ষাটা বেশি দীর্ঘ করেননি নির্মাতারা। দুই বছরের ব্যবধানে দর্শকদের সামনে নিয়ে আসছেন নতুন ছবি ‘ইট চ্যাপ্টার টু’। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে এটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে এ ছবিটি।

১৯৮৬ সালে প্রকাশ পাওয়া স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস ‘ইট চ্যাপ্টার টু’- নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করেছেন অ্যান্ডি মুশিয়েটি। প্রথম ছবি ‘ইট’-এর পরিচালকও তিনি। এবারের ছবিতে অভিনয় করেছেন জেমস ম্যাকাভয়, জেসিকা চ্যাস্টেইন, বিল হ্যাডার, জে রায়ান, অ্যান্ডি বিন প্রমুখ।

‘ছোট শহর ডেরিতে সত্যিকার অর্থে কেউ মারা যায় না’- রহস্যময় এক বৃদ্ধা ‘ইট চ্যাপ্টার টু’ চলচ্চিত্রের টিজারে এভাবেই বলছিলেন অভিনেত্রী জেসিকা চ্যাস্টেইনকে।

এখানেই মূলত ডেরি শহরের ভৌতিক গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। উপন্যাসে সাত শিশুর কাহিনি বলা হয়েছে। যারা ডেরির ছোট্ট শহর মাইনেতে ২৭ বছর ধরে ভয়ংকর অতিপ্রাকৃত সত্তার সঙ্গে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। যে সত্তা শহরের বাসিন্দাদের ভয় দেখায়। এমনকি সে তার আকার, আকৃতি মুহূর্তে পরিবর্তনও করতে পারে। তবে পেনিওয়াইজ নামে এক ভাঁড়ের ছদ্মবেশই ছিল তার সবচেয়ে পছন্দের। ‘ইট’ ছবিতে প্রথমবার পেনিওয়াইজের সঙ্গে সাত শিশুর সাক্ষাৎকার হয়। আর এবারের ‘ইট চ্যাপ্টার টু’-তে সে শিশুরাই বড় হয় এবং তারা তাদের ছেলেবেলার সে ভয়ংকর অভিজ্ঞতারই সম্মুখীন হয়।

এদিকে ছবিটির প্রথম কিস্তি ‘ইট’ কেবল দর্শকদের বুকেই কাঁপন ধরায়নি, কাঁপিয়েছে বক্স অফিসও। মুক্তির প্রথমদিনেই সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ড গড়ে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহেও হলিউড বক্স অফিসের শীর্ষস্থান ধরে রাখে ছবিটি। উদ্বোধনী দিনে এটি আয় করেছে রেকর্ড ৫ কোটি ৪ লাখ মার্কিন ডলার, যা হরর ছবির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এছাড়াও, মুক্তির প্রথম তিনদিনেই ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রে আয় করেছে ১২ কোটি ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার। আর এতে করে ‘ইট’ ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব হরর ছবির রেকর্ডকে। ধারণা করা এর সিক্যিুয়েলও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।