ডোমারে আলোক ফাঁদ ব্যবহার বাড়ছে

আমন ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের ক্ষতির হাত হতে রক্ষায় কীটনাশকের ব্যবহারের পরিবর্তে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কৃষকদের আলোক ফাঁদ ব্যবহারে উৎসাহিত করছে কৃষি বিভাগ।

আলোক ফাঁদ ব্যবহারে ক্ষতিকর শত্রু পোকা ও উপকারী বন্ধু পোকাও নির্ণয় করা হচ্ছে।

বৃহষ্পতিবার (১৯সেপ্টেম্বর) রাতের অন্ধকারে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব বোড়াগাড়ী লালার খামার গ্রামের কৃষক আলতাফ হোসেনের রোপা আমন ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদ স্থাপন করে কৃষি বিভাগ।

এ সময় কৃষক আলতাফ হোসেন, জহুরুল ইসলাম, তোবারক, পুলেন, সাদ্দাম, ছোটন, নিশান, রেজাউলসহ প্রায় অর্ধ শতাধীক কৃষক আলোক ফাঁদ প্রদর্শনী উপভোগ করে।

উপস্থিত কৃষকরা জানান, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা নিধনে কোন খচর নাই এবং কিটনাশক ব্যবহার না করায় ক্ষেতেরও কোন ক্ষতি হবে না। এজন্য তাদের ধান ক্ষেতেও তারা আলোক ফাঁদ ব্যবহার করবেন বলে জানায়।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, আমন ক্ষেতে কিটনাশকের ব্যবহার কমাতে উপজেলার ৩১টি ব্লকের প্রতিটিতে ১০ টি করে মোট ৩১০টি আলোক ফাঁদ প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে এবং এর উপকারিতা সম্পর্ক্যে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।

কৃষি দপ্তরের এ প্রদর্শনী দেখার পর উৎসাহিত হয়ে আরো শতাধীক কৃষক নিজ উদ্দ্যেগে আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা নিধন করছে।

ডোমার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর ইকবাল জানান, এবারে উপজেলায় ১৮হাজার ৮শত ২২হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছি।

পোকা মাকড়ের ক্ষতির হাত থেকে ফসল রক্ষায় পোকা দমনে কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে পরিবেশ বান্ধব আলোক ফাঁদ স্থাপনে কৃষকদের উদ্বৃতকরণে ডোমার কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন/নীলফামারী