আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাংবাদিকদের সাথে হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসারদের  মতবিনিময় সভা হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি চরফ্যাশন ডায়গনষ্টিক সেন্টারে মালিকের কাছে আমরা দালালের ব্যপারে জিম্মি।

উপজেলা আইনশৃংলা সভায় হাসপাতালের দালালদের বিষয়ে কথা বললে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানার ওসি তালিকা তৈরী করে দিতে বলেছেন। আমি ৬০ জনের একটি তালিকা তৈরী করছি।

ওই তালিকা ডায়গনষ্টিক সেন্টারের মালিকগণ আমাকে দিতে দেয়না। তাদের সাথে যোগাযোগ না করে তালিকা দিতে নিষেধ করেছেন। তারা প্রভাবশালী, আমি তাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছি।

হাসপাতালে গাইনী, জরুরী বিভাগ, ওটি, ডাক্তারদের জরুরী বিভাগে পাওয়া যায়না, ১টার কর্মরত ডাক্তার কেই হাসপাতালে উপস্থিত থাকেনা, ডাক্তারগণ ডায়গনষ্টিক সেন্টারের শেয়ার হোল্ডার (মালিক), হাসপাতালে স্টাফদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী, এমন বিষয় গুলো উত্থাপন করা হয়েছে।

এই বিষয় গুলো সংশোধন হওয়ার জন্যে ডাক্তারদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়।

ডেঙ্গুর রোগির বিষয় হাসপাতালে ১০০ রোগির চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। কোন রোগি মারা যায়নি বলে সাংবাদিকদের কাছে প্রসংশিত হয়েছেন কর্মরত ডাক্তারগণ।

হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার মাহাবুব কবির বলেন, আমাদের ডাক্তার সংকট। অনেক পরিশ্রম করে চিকিৎসা সেবা দিতে হয়।

এই সময় হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সিরাজুল ইসলাম, আর এমও ডা. মাহাবুব কবিরসহ সকল ডাক্তারগণ এবং চরফ্যাশন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল হাসেম মহাজন, সম্পাদক মনির আহম্মেদ শুভ্র, যুগান্তর (দক্ষিণ) প্রতিনিধি আমির হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিনিধি আবু ছিদ্দিক, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম দুলাল, নাজু পন্ডিত, সংবাদ প্রতিনিধি জামাল মোল্লা, কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি কামরুল সিকদার, ইত্তেফাক প্রতিনিধি মিজান নয়ন, খবরপত্র প্রতিনিধি অশোক শাহা, মানবজমিন প্রতিনিধি শাহাবুদ্দিন সিকদার, জনতা প্রতিনিধি মাহাবুব আলম, ভোরের কাগজ প্রতিনিধি সৌয়েব চৌধুরী, যায় যায়দিন প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন জমাদার প্রমুখ।

-আমির হোসেন/চরফ্যাশন