নগরবাসীর মনে করেন, ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজালে অবস্থার উন্নতি ঘটবে। ছবি : সংগৃহীত

রোজার সন্ধ্যায় ইফতারের জন্য বাড়ি ফেরার একটা তীব্র টান অনুভব করেন সবাই। কিন্তু এ সময়টায় শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপরি ভেঙে পড়ে।

রাজধানী ঢাকার বিশাল অংশ জুড়ে চলছে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ। ফলে রাস্তা সংকুচিত হয়ে থাকছে। সেই সংকীর্ণ রাস্তায় তাই জ্যাম লেগে থাকে। এচিত্র মিরপুর ১২ নম্বর থেকে শুরু করে পুরো শাহবাগ পর্যন্ত। এদিকে উত্তরা, বসুন্ধরা, গুলশান ও বনানীতেও তীব্র যানজট লক্ষ্য করা যায়।

কলকাতায় একটি বায়িং হাউজে কর্মরত রূপসা সরকার প্রায় ঢাকায় আসেন তার অফিসের কাজে।

তিনি তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন আজকের পত্রিকার কাছে। তিনি বলেন, কলকাতায়ও মেট্রোরেলের কাজ চলছে। তবে সেখানে অল্প এলাকা জুড়ে রাস্তা খোড়াখুঁড়ি চলছে। ঢাকায় দেখলাম একবারে পুরো এলাকা জুড়ে মেট্রোরেলের নির্মাণ হচ্ছে।

রূপসা সরকার বলেন, কলকাতায় অফিস ছুটির সময় কিছু কিছু রাস্তা ওয়ান ওয়ে করে দেওয়া হয়। ঢাকায় এমনটা হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

মতিঝিলের একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন তাহসিন আহমেদ। প্রতিদিনই তাকে যানজটের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তিনি বলেন, ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যালগুলো ঠিক নেই। সব সিগন্যাল একই সময়ের না। কোনো সিগন্যাল বেশি সময় আটকে রাখা হয়। কোনো সিগন্যাল কম সময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিছু রাস্তার ডিভাইডার বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

আজকের পত্রিকা/এমএইচএস