টিন সার্টিফিকেট এর প্রতীকী ছবি। ছবি : আজকের পত্রিকা

পদ্মাসেতুসহ বর্তমান সরকার দশটি মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নে হাত দিয়েছেন। এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রয়োজন আপনার অংশগ্রহণ। আপনার নিয়মিত আয়কর প্রদানের করণে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে আনেকেই বলেন, আয়কর জমা দেওয়া অনেক ঝামেলার। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন অনলাইনে করতে পারেন টিন সার্টিফিকেট। যারা এখনো টিন সার্টিফিকেট করেননি, তারা ঘরে বসে করতে পারেন। তা না হলে দুর্নীতি দমন কমিশনে হাজির হয়ে মান-সম্মান খোয়ানোর কী দরকার! তাই নিজের আয়কে দূষণমুক্ত রাখতে করে নিন টিন সার্টিফিকেট। টিন সার্টিফিকেট করতে যা যা করতে হবে আজকের পত্রিকার সেবামূলক আয়োজনে আলোচনা করা হল আয়কর এবং টিন সার্টিফিকেট সম্পর্কিত সকল তথ্য।

চলুন জেনে নেই কাদের জন্য টিন সার্টিফিকেট দরকার

যাদের আয় করমুক্ত আয়সীমার মধ‌্যে নয়, তাদের সবাইকে হিসাব দিতে হবে। তাহলে দেখুন তো আপনাকে কর দিতে হবে কিনা…

১. মাসিক মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি হলে করদাতা শনাক্তকারী নম্বর (টিআইএন) থাকা এবং বার্ষিক আয়কর বিবরণী দেওয়া বাধ‌্যতামূলক।
২. যাদের ব‌্যবসা বা পেশা পরিচালনার জন‌্য ট্রেড লাইসেন্স এবং ব‌্যাংক অ‌্যাকাউন্ট আছে, তাদেরও বিবরণী দাখিল করতে হবে।
৩. সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা অথবা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী সকল ব‌্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রিটার্ন দাখিল বাধ‌্যতামূলক
৪. এনজিও ব‌্যুরোতে নিবন্ধিত সব এনজিওকে তাদের বার্ষিক আয়-ব‌্যয়ের হিসাব দিতে হবে।
৫. ডাক্তার, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, আয়কর আইনজীবী, চাটার্ড অ‌্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট ম‌্যানেজমেন্ট অ‌্যাকাউন্টেন্ট, প্রকৌশলী, স্থাপতি, সার্ভেয়ার অথবা এ ধরনের পেশায় নিয়োজিত সকল ব‌্যক্তিকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।
৬. চেম্বার অব কমার্স অ‌্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অথবা ট্রেড অ‌্যাসোসিয়েশনের সব সদস‌্যের আয়কর বিবরণী দাখিল বাধ‌্যতামূলক।
৭. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, বিভাগীয় শহর অথবা জেলা শহরে বসবাসকারী কেউ গাড়ির মালিক হলে অথবা মূল‌্য সংযোগ কর আইনে নিবন্ধিত কোনো ক্লাবের সদস‌্য হলে তাকেও রিটার্ন দিতে হবে।
৮. পৌরসভা, সিটি করপোরেশন অথবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রার্থীকে তাদের হিসাব বিবরণী দাখিল করতে হবে।
উপরোল্লিখিত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলভাবে টিন সার্টিফিকেট করতে হবে এবং বাৎসরিক আয়কর বিবরণী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।

চলুন জেনে নেয়া যাক কার জন‌্য কত কর

১. বর্তমান নিয়মে কোনো করদাতার বার্ষিক আয় আড়াই লাখ টাকার বেশি হলে কর দিতে হয়। আর নারী এবং ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকা। করদাতা প্রতিবন্ধী হলে তাকে পৌনে চার লাখ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ের কর ছাড় দেওয়া হয়েছে।
২. গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়সীমা সোয়া চার লাখ টাকা। এ ছাড়া সন্তান প্রতিবন্ধী হলে পিতামাতা ও আইনানুগ অভিভাবক করদাতা হলে বার্ষিক আয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা করমুক্ত সুবিধা পাবেন।
৩. করমুক্ত সীমার বেশি আয় হলে বিভিন্ন হারে কর দিতে হবে। করমুক্ত আয়সীমার পর প্রথম ৪ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ হারে; পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ; পরবর্তী ৬ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ; পরবর্তী ৩০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে।
৪. এ ছাড়া কোনো ব্যক্তির মোট আয় যদি সাড়ে ৪৭ লাখ টাকার বেশি হয়; তবে বাকি টাকার জন্য ৩০ শতাংশ হারে কর বসবে।
৫. ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় বসবাসরত করদাতার জন্য ন্যূনতম কর ৫ হাজার টাকা। অন্য সিটি এলাকার জন্য ৪ হাজার টাকা। আর এর বাইরের এলাকার জন্য ৩ হাজার টাকা।

চিত্রে মাধ্যমে আয়কর কীভাবে দেবেন তা দেখানো হলো। গ্রাফিক্স আজকের পত্রিকা

প্রত্যেক কর দাতাকে ১০ অঙ্কের এই টিন নাম্বার প্রদান করা হবে। এত দিন টিনের পুরো প্রক্রিয়া কাগুজে নথিভিত্তিক ছিল। আয়কর দেওয়া নিয়ে করদাতাদের ভোগান্তির অবসান এবং নথি সংরক্ষণ ব্যবস্থা সরল করার লক্ষ্যে ১ জুলাই, ২০১৪ থেকে ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার বা ‘ই-টিআইএন’ ব্যবস্থা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

নিবন্ধন করবেন যেভাবে

নতুন বা পুরাতন সকল করদাতাকে এই নিয়মে নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে। এজন্য প্রথমে এনবিআরের ওয়েবসাইট (www.nbr-bd.org) এ গিয়ে ই-টিআইএন লেখার ওপর ক্লিক করতে হবে। অথবা www.incometax.gov.bd ঠিকানা থেকেও এ কার্যক্রম শুরু করা যাবে। এখানে Register বাটনে ক্লিক করে প্রাথমিক নিবন্ধন করার পর Login করতে হবে। এরপর মূল নিবন্ধন বা পুনর্নিবন্ধন ফরম আসবে। এই ফরম পূরণ করার পর একটি নিবন্ধন নাম্বার দেওয়া হবে। নিবন্ধন নম্বর দিয়ে লগ-ইন করে যেকোনো জায়গা থেকে TIN দেখা ও প্রিন্ট করা যাবে। ওয়েবসাইটের User Guide থেকেও পাওয়া যাবে এ পদ্ধতির বিস্তারিত নির্দেশাবলী। নিবন্ধন হলে আপনি পেজটিতে ট্যাক্স ক্যালকুলেটর, ই-পেমেন্ট, মূল্য সংযোজন কর এবং অনলাইন কাস্টমস ডিউটি নামে কিছু অপশন পাবেন। এই স্থানগুলোতে ক্লিক করে টিআইএন সম্পর্কিত কাজগুলো খুব সহজেই যেখান থেকে খুশি করে নিতে পারবেন। চলুন এবার এগুলো সম্পর্কে জানি…

ট্যাক্স ক্যালকুলেটর

কর বা ইনকাম ট্যাক্স হিসাব করার জন্য বিশেষ ধরনের ক্যালকুলেটর রয়েছে, এটি ট্যাক্স ক্যালকুলেটর নামে পরিচিত। বাংলাদেশি কর প্রদানকারীদের জন্য অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে এই বিশেষ ক্যালকুলেটরটি তৈরি করা হয়েছে। এই ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইনে আয়কর হিসাব করা যায়। এই ক্যালকুলেটরের কিছু নির্ধারিত বক্সে প্রয়োজনীয় ডাটা বসালেই ক্যালকুলেটরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোট আয় ও আয়ের ওপর প্রদেয় কর জানিয়ে দেয়। এই ক্যালকুলেটরটির মাধ্যমে কোম্পানি আয়কর ও ব্যক্তিগত আয়কর দুই ধরনের করই হিসাব করা যায়। এই ক্যালকুলেটরটির সাহায্য নিতে হলে যেতে হবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট www.nbr-bd.org এ। রাজস্ব বোর্ডের হোমপেজের নিচের দিকে মাঝামাঝি অবস্থানে লাল রঙের ব্র‌্যাকগ্রাউন্ডের মধ্যে ‘ট্যাক্স ক্যালকুলেটরটি’ রয়েছে। অথবা সরাসরি ট্যাক্স ক্যালকুলেটরটি পেতে চাইলে এই লিংকটি www.nbrtaxcalculatorbd.org ব্যবহার করতে পারেন।

ট্যাক্স ক্যালকুলেটর পেজটি ওপেন হওয়ার পর ‘ইনকাম ট্যাক্স ক্যালকুলেটর’ ও ‘ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপারেশন’ নামে আলাদা আলাদা দুটি অপশন রয়েছে। ‘ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপারেশন’ মূলত ক্যালকুলেটরটির একটি বর্ধিত রূপ। এটির মাধ্যমে কর হিসাব করার সাথে সাথে নির্ভুল রিটার্ন তৈরি করা যায়।

ই-পেমেন্ট

করদাতারা যাতে সবচেয়ে কম শ্রমে আয়কর দিতে পারেন, তাই ট্যাক্স ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি চালু হয়েছে ই-পেমেন্ট। ফলে নিজস্ব ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ড দিয়েই কর পরিশোধ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ফরমে টিআইএন দিয়ে ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত টাকা ট্রান্সফার হবে।  অনলাইনে ই-পেমেন্ট পদ্ধতিতে আয়কর, মূসক এবং শুল্ক ঘরে বসে বা যেকোন স্থান থেকে খুব সহজে পরিশোধ করা যাবে। করদাতা নিজে বা তার আইনানুগ প্রতিনিধি, উৎসে কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষসহ সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ সুবিধা নিতে পারবেন। ই-পেমেন্ট পদ্ধতিতে কর পরিশোধের জন্য প্রাথমিকভাবে যা লাগবে:
১. কার্যকর ই-মেইল অ্যাকাউন্ট
২. TIN, AIN, BIN (যেটি প্রযোজ্য)
৩. ডেবিট কার্ড, প্রি-পেইড/ক্যাশ কার্ড (সোনালী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, জনতা ব্যাংক)

ই-পেমেন্ট পদ্ধতিতে আয়কর প্রদান করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।  সহজেই কীভাবে আপনি কাজগুলো করতে পারবেন, সে সম্পর্কে কিছু নিয়ম আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। নিয়মগুলো হলো…

রেজিস্ট্রেশন: প্রথমে www.nbrepayment.org এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হোম পেজের নিচের দিকে ঠিক মাঝামাঝি এই পেজটির আলাদা অপশন রয়েছে। এই পেজটির ঠিক নিচের দিকে রেজিস্ট্রেশন করার অপশন রয়েছে। রেজিস্ট্রেশন ফর্মে আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা, ই-মেইল অ্যাড্রেস, ফোন নাম্বার, লগ ইন নাম, পাসওয়ার্ড, জন্ম তারিখ, সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর প্রভৃতি তথ্য প্রদান করে শর্তসমূহ ভালোমতো পড়ে “I agree and Create accont” এ ক্লিক করলেই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়ে যাবে।  রেজিস্ট্রেশন শেষে e-payment সিস্টেম থেকে ব্যবহারকারীর ই-মেইল অ্যাকাউন্টে একটি মেইল আসবে। মেইলটিতে একটি নতুন ‘e-Pay Control Panel’ লিংক দেখা যাবে।

আয়কর প্র্রদান: ‘e-Pay Control Panel’ লিংকটিতে ক্লিক করলে যে পাতাটি ওপেন হবে, সেখানে ‘In-come Tax’ বাটনে ক্লিক করে pay Income Online সিলেক্ট করতে হবে। এখানে যে ফরমটি আসবে সেখানে কর অঞ্চল, কর সার্কেল, আয় করের ধরন ও ধারা, সংশ্লিষ্ট কর বছর ইত্যাদি তথ্য পূরণ করে Submit বাটনে ক্লিক করতে হবে। এটি সংক্রিয়ভাবে সোনালী ব্যাংক Q-Cash পেইজ এ যাবে। এই পেইজ থেকে পেছনে আসা বা ব্যাক করা সম্ভব নয়। তবে চাইলে নতুন করে শুরু করা যাবে।

অর্থ প্রদান পদ্ধতি: সোনালী ব্যাংকের পেইজ থেকে ডেবিট কার্ড বা ক্যাশ কার্ডের যে কোনো একটি সিলেক্ট করতে হবে। প্রাথমিক বা ড্রাফট ই-চালান দেখতে next এ ক্লিক করতে হবে। চালানে বর্ণিত তথ্য সঠিক হলে পুনরায় next ক্লিক করতে হবে। এবার Q-Cash এর পেইজটিতে কার্ড বা অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রদান করতে হবে। কার্ড অনুযায়ী নাম টাইপ করার পর কার্ড এর মেয়াদের তথ্য প্রবেশ করাতে হবে। এই অংশের পুরো কাজটি করতে হবে সাবধানতার সঙ্গে, তবে দ্রুত। কোনো কাজ না করে বসে থাকলে পেইজটি expire করবে বা বাতিল হয়ে যাবে। সব ঠিক থাকলে OK ক্লিক করতে হবে।

এর পরবর্তী পেইজ-এ কার্ডের বা একাউন্টের গোপন পাসওয়ার্ড প্রবেশ করিয়ে Next ক্লিক করতে হবে। এতে চূড়ান্ত চালান পত্রটি দেখা যাবে। ই-পেমেন্ট সিস্টেম থেকে চালানটি প্রিন্ট, সেভ বা যে কোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্টে করা যাবে। পরবর্তীতে যেকোন সময় লগ-ইন করে আয়করের বিস্তারিত রেকর্ড দেখা যাবে। কাজ শেষে করে অনান্য অ্যাকাউন্টের মতো সাইন আউট করতে হবে।

চালান যাচাইকরণ: মূলপাতা www.nbrepayment.org থেকে verify challan iBAS থেকে যাচাই করা যাবে। এছাড়া www.nbrepayment.org এই পেইজটি থেকে প্রয়োজনীয় আরো তথ্য জানা যাবে। প্রায় একই রকম পদ্ধতিতে অনলাইনের মাধ্যমে মূসক, অনলাইন কাস্টমস ডিউটি, এবং অনান্য কর প্রদান করা যাবে।

মূল্য সংযোজন কর (মূসক): মূসকবিষয়ক পেইটিতে রাজস্ব প্রদানকারীরা মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য পাবেন যেগুলো তাদেরকে উক্ত খাতে রাজস্ব দিতে বিশেষভাবে সহায়তা করবে। এখানে বিভিন্ন পণ্য এবং সেবার উপর প্রযোজ্য মূসকের হার সম্পর্কে তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি কোন কোন পণ্য মূসকের আওতায় পড়বে না সেসব বিষয়েও তথ্য দেয়া রয়েছে।

এই ব্যবস্থাটি বিংশ শতাব্দীতে উদ্ভাবিত একটি আধুনিক কর পদ্ধতি। এর ফলে এখন আর রাজস্ব টিন নাম্বারের জন্য অফিসে যেতে হবে না। ঘরে বসেই টিন নম্বর এর জন্য নিবন্ধন করা যাবে। জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো স্থান থেকে টিন সনদ প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করতে পারবেন। অত্যাধুনিক পদ্ধতির ডিজিটাল সিকিউরিটি থাকায় টিন জাল করা যাবে না। বন্ধ হবে ভুয়া টিন ব্যবহার করে নানা অপকর্মের সুযোগ। সব নিবন্ধনকারীর তথ্য ডেটাবেইজে সংরক্ষিত থাকায় একদিকে স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে টিন ব্যবস্থাপনা, অন্যদিকে আপনি পাবেন কর সম্পর্কিত সহজ সেবা।

আজকের পত্রিকা/আ.স্ব/জেবি