কমলাপুরে টিকেটের জন্য দীর্ঘ লাইন। ছবি : সংগৃহীত

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরে ফিরতে আগ্রহী মানুষ অগ্রিম টিকিট কিনতে চতুর্থ দিনের মতো রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড় করেছে। আজ ২৫ মে শনিবার দেওয়া হচ্ছে ৩ জুনের টিকিট। অন্যান্য যে স্থানগুলোতে রেলের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে, সেসব স্থানেও ভিড় বেড়েছে আজ।

২৫ মে শনিবার সকাল ৮টায় কমলাপুর রেলস্টেশনে প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়। অনেকেই ২৪ মে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন টিকিট কেনার জন্য।

রাজধানীর ব্যস্ত লোকজন ঈদের একদিন আগেই বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে চান। এজন্য আজ ২৫ মে শনিবার সকাল ৯টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের নির্ধারিত নয়টি কাউন্টারে একযোগে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হচ্ছে।

কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ১২ ট্রেনের প্রায় ১৬ হাজারের কিছু বেশি টিকিট দেওয়া হবে। ২৬ হাজার ৭শ টিকিটের মধ্যে বাকিটা অনলাইনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী পদ্মা এক্সপ্রেস, রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস, লালমনিরহাটগামী লালমনি এক্সপ্রেস, পঞ্চগড়গামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস, নীলফামারীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস, পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ও সিরাজগঞ্জ সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসে মোট আসন সংখ্যা ১১ হাজার ৬৯টি।

এদিকে কমলাপুরে কালোবাজারিরোধ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও রেলওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, আনসার, আর্মড পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। টিকিটপ্রত্যাশীদের লাইন ঠিক করতে হিমশিম খাচ্ছেন আনসার সদস্যরা।

কমলাপুরে উত্তরবঙ্গ ও সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলের ১২টি ট্রেন, বিমানবন্দর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সব আন্তঃনগর ট্রেন, তেজগাঁও স্টেশন থেকে ময়মনসিংহ ও জামালপুর আন্তঃনগর ট্রেন, বনানী স্টেশন থেকে নেত্রকোণাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ফুলবাড়িয়া (পুরাতন রেলভবন) থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দেওয়া হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস