আদিতমারী উপজেলা পরিষদ

চলতি অর্থ বছরের টেষ্ট ফর রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পের বন্টনের ভাগ কম বেশি নিয়ে উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি ঘটনায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।

বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) রাতে আদিতমারী থানার অফির্সা ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে দুপুরে আদিতমারী থানায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতার।

জিডি সুত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজ কক্ষে বসে অফিস করছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতার।

অফিস চলাকালীন সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস পিয়নের মাধ্যমে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতারকে পরিষদের নিজ কক্ষে ডেকে নেন। এ সময় চলতি অর্থ বছরের টেষ্ট ফর রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পের বন্টন নিয়ে কথা বলেন চেয়ারম্যান।

এতে উপস্থিত জনতার সামনে ভাগ কম বেশি নিয়ে উভয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি ঘটনা ঘটে।

এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস উত্তেজিত হয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতারকে অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন। তাকে উপজেলা পরিষদের দ্বিতল ভবন থেকে ফেলে হত্যা করার হুমকি দেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বুধবার(৪ ডিসেম্বর) দুপুরে আদিতমারী থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতার। যার নং ১৬৩; তারিখ -০৪-১২-২০১৯ইং। এ ছাড়াও এ ঘটনার বিচার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আকতার।

আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মশিউর রহমান জিডির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আদিতমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস বলেন, ভাইস চেয়ারম্যানকে অফিসে ডেকে নিয়ে প্রকল্পের বিষয়ে কথা বলতেই তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে মেন্টাল বলেন। এতে আমিও দু’একটি কথা বলেছি কিন্তু হত্যার হুমকি সম্পুর্ণ মিথ্যে ও বানোয়াট। সেটা নিয়ে জিডি করার কি আছে? এমনটা হলে তো আমাকেও জিডি করতে হবে।

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না/লালমনিরহাট