দুনীতি বিরোধী সাইনবোর্ড ঝিনাইদিহ।ছবি সংগৃহীত

অফিসে দুনীতি বিরোধী সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব নিজেই দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। বিষয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর তদন্ত করে দেখছেন। শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠানো এক অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝিনাইদহে যোগদানের পর থেকে তিনি অনুমতি ও বরাদ্দ ব্যতিরেখে অফিসের তিনতলার গেষ্ট হাউসটি বিধি বহির্ভুত ভাবে ব্যাবহার করছেন। সরকারী রাজস্ব ফাঁকি ও বিদ্যুৎ বিল ব্যাবহার করছেন। বেআইনী ভাবে ৪০% ঘরভাড়া তুলে নিচ্ছেন। ২০১৮ সালে জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ভিজিটে গিয়ে কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে জারপুর্বক সম্মানী গ্রহন করছেন। যার কোন অনুমোদন নেই। এছাড়া এমপিও প্রদানের ক্ষেত্রে অযাচিত ভাবে কাগজপত্র কাটাছেড়া ও রিজেক্ট করে শিক্ষকদের হয়রানী করছেন। এ সব অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ তদন্ত করেন।

এরপর গত ২৪ এপ্রিল ৭০৭ নং স্মারকে নির্দেশক্রমে জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেবকে শুনানীর জন্য ঢাকায় তলব করেন সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম টুকু। সেখানে তিনি নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে শৈলকুপার এক দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে তাকে রক্ষার চেষ্টা করেন জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব। শিক্ষক ও ছাত্রীদের আন্দোলনে ওই প্রধান শিক্ষক এখন শৈলকুপা ছাড়া। কিনি নিজের অফিসে দুর্নীতি বিরোধী সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রেখেছেন।

তাতে লেখা আছে “দুর্নীতি দারিদ্র ও অবিচার বাড়ায়, আসুন দুর্নীতি প্রতিরোধে সকলে সক্রিয় হই”। এই সাইনবোর্ডের আড়ালে তার কর্মকার্ন্ড প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব জানান, আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেছে তার বিন্দু মাত্র ভিত্তি নেই। আমি জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ভিজিটে গিয়ে কোন টাকা গ্রহন করি না। তাছাড়া যে সব স্কুলের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে আমি কোনদিন যায়ও নি। আমাকে ঢাকায় ডেকেছিলো, আমি জবাব দিয়ে এসেছি। কি সিদ্ধান্ত হবে সেটা অধিদপ্তরের ব্যাপার।

আজকের পত্রিকা/জাহিদুল রহমান তারিক/ঝিনাইদগ/রাফাত/এআরকে