জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত জৈন্তাপুর বাস ষ্টেশন সংলগ্ন জৈন্তিয়া রাজ্যেরে দরবার হলের মাঠে ৬দিন ব্যাপি ফলজ ও কৃষি প্রযুক্তি মেলার দর্শক আকর্ষণ করতে পারেনি উপজেলা কৃষি অফিস। স্টল মালিক ও দর্শনার্থী ছাড়াই মেলাটি শেষ হচ্ছে আগামীকাল। গচ্ছা যাচ্ছে সরকারের লক্ষ টাকা।

জৈন্তাপুর উপজেলার সার্বিক সহযোগীতায় ৬দিন ব্যাপি ফলজ ও প্রযুক্তি মেলার গত ২৮ আগস্ট উদ্ভোধন করা হয়। মেলার প্রথম দিনে কিছু লোকের সমাগম দেখা গেলেও পরদিন থেকে দর্শনার্থীদের পদচারনা দেখা যায়নি।

মেলার উদ্ভোধনী দিনই প্রধান অতিথি আয়োজকদের প্রচার প্রচারনা ও মেলায় অংশ গ্রহনকারী বিভিন্ন স্টলের নাম নিয়ে নাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সমালোচনা দেখা দিলে তিনি কর্তৃপক্ষকে আরো বেশি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যেতে অবহিত করেন। তার পরও মেলায় মাইক বাজিয়ে দিন কাটানো ছাড়া আরো কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ৫ম দিন মেলা পরিদর্শন কালে দেখা যায় দর্শনার্থী না আসাতে মেলায় অংশ গ্রহনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও তার প্রতিনিধি মেলা আয়োজকের দায়িত্বে স্টল গুলো রেখে নিজেরা বাড়িতে চলে গেছেন।

এ বিষয়ে কথা হয় নাজমুল নামে এক কৃষকের সাথে তিনি বলেন লোক মুখে শুনতে পেরেছি জৈন্তাপুরে একটি কৃষি প্রযুক্তি মেলা চলছে। এখানে এসে দেখতে পাই মেলা থাকলেও কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার মত কোন লোক পাইনি। গোয়াইনঘাট থেকে আসা মাসুক আহমদ নামে এক কৃষক এ প্রতিবেদককে জানান মেলায় এসেছিলাম ধানের চারা রোপনে যন্ত্র সম্পর্কে জানতে, কিন্তুু এখানে আসাটাই যেন ভুল হয়েছে।

এ ব্যাপারে জৈন্তাপুর উপজেলার কৃষি অফিসার ফারুক হোসাইন বলেন, বর্তমানে আমন ধানের চারা রোপনের মৌসুম থাকায় কৃষক মাঠে চারা রোপনে ব্যাস্ত রয়েছে, তাই দর্শনার্থীর সমাগম কম। আমাদের দায়িত্ব মেলা আয়োজন করা।

নাজমুল ইসলাম/জৈন্তাপুর