জৈন্তাপুরে মরা গাছ রেখে জীবিত গাছ কর্তন!

জৈন্তাপুরে মরা গাছ রেখে জীবিত গাছ কর্তন করার অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের জৈন্তাপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অফিস থেকে দেয়া হয় টেন্ডার।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রবেশ মূখে বাম পাশ থেকে ৪টি গাছ, উপজেলা চেয়ারম্যান অফিস সংলগ্ন স্থান থেকে ৩টি, বিয়াম স্কুল সংলগ্ন স্থান থেকে ১টি, সমাজসেবা অফিসের সম্মুখ থেকে ১টিসহ নির্মাণাধীন কৃষি ভবনের সন্নিকট থেকে ৩টি গাছ কর্তণ করা হয়।

এনিয়ে জৈন্তাপুর সচেতন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, গাছ কর্তণের আগে উপজেলা কমপ্লেক্স এরিয়ায় যে সকল গাছ মরে গেছে এবং জনসাধারণের ক্ষতি সম্মুখিন রয়েছেন এবং হবেন সে সকল গাছ কর্তন না করে উপজেলা কে সবুজ ছায়ায় রেখেছে যে সকল বড় বড় জীবিত গাছ যা প্রশাসনিক ভবনের ক্ষতি সাধিত হবে না সেগুলো সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে ৫৬হাজার টাকায় বিক্রয় করেন। অথচ সিন্ডিকেট চক্র সেই ১৪টি গাছ একই সময়ে দ্বিতীয় নিলামে ১লক্ষ ৬০হাজার টাকায় বিক্রয় হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিমকে গত তিন দিন থেকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। পরবর্তীতে টেন্ডার কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রমেন্দ্র হোম চৌধুরী সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি নাম মাত্র কমিটির সদস্য সচিব। যা কিছু হয়েছে সব কিছুই উপজেলা নির্বাহী স্যারের মাধ্যমে হয়েছে। এর বেশি আমার জানা নেই।

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, টেন্ডারের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের যে সকল গাছ মরে যাচ্ছে এবং প্রশাসনিক ভবনের ক্ষতি সাধন হবে এছাড়া জনসাধারন চলাচলের ক্ষতি সাধিত হবে সেই গাছ চিহ্নিত করে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করার কথা। আমি অসুস্থ থাকার কারনে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

সরেজমিনে এসে যখন দেখলাম মৃত গাছ ও প্রশাসনিক ভবন, জসনাধারণের ভবনের ক্ষতি সাধনকারী এমন গাছ গুলো রেখে জীবিত গাছ টেন্ডার দিয়েছেন। বিষয়টি উদ্দেশ্যহীন বলে আমি মনে করছি।

নাজমুল ইসলাম/জৈন্তাপুর