সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রতিবন্ধি নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে ফাঁদ পেতে ধর্ষককে আটক করে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নারী লোভী লম্পট জৈন্তাপুর উপজেলা জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বিরাইমারা হাওর উরফে গড়েরপার গ্রামের মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে ৫সন্তানের জনক রং মিস্ত্রী আব্দুল হালিম উরফে হালিম মিয়া, উরফে মাষ্টার (৫০) গত ২২ মে দুপুর অনুমান ১২টায় সময় একই গ্রামের প্রতিবন্ধি রুপবানের বসত ঘরে গিয়ে পান খাওয়ার জন্য চুন চায় এবং প্রতিবন্ধি নারী হালিমকে চুন এনে দেয়।

সেই সময় ঘরে কোন লোকজন না থাকায় হালিম মিয়া ওই নারীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ দিকে বিচার করার নামে কালক্ষেপন করায় সে ৩মাসের অন্তঃসত্বা হয়ে পড়ে।

বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী চাপ প্রয়োগ করে ইউপি সদস্য বিলাল মিয়াসহ গন্যমান্যদের কাছে ঘটনার বিষয় স্বীকার করে এবং সুকৌশলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাচ্চা নষ্ট করার পায়তারা করে। এক পর্যায় সে অস্বীকার করে বিয়ে করবে না বলে জানায়।

এদিকে ধর্ষণের ঘটনাটি মিডিয়াকর্মীসহ পুলিশের কাছে পৌঁছে যায়। পুলিশ প্রতিবন্ধি ধর্ষণের সংবাদের উপর গুরুত্ব দিয়ে তাৎক্ষনিক ধর্ষককে ধরতে জৈন্তাপুর মডেল থানার “টিম জৈন্তাপুর” অভিযানে নামে। পুলিশের উপস্থিতিেেটর পেয়ে চতুর ধর্ষক হালিম মিয়া পালিয়ে যায়।

ধর্ষক হালিমকে আটক করেত “টিম জৈন্তাপুর” বিয়ের ফাঁদ পাতে। পুলিশের পাতানো ফাঁদে সহজে পা দেয় ধর্ষক হালিম। ১২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় টিম জৈন্তাপুর এর ফাঁদে পা দিলেই পুলিশ তাকে আটক করে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক প্রতিবেদককে জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ধর্ষক হালিমকে আদালতে প্রেরণ করি এবং আদালতের কাছে কঠিন শাস্তি দাবী করি। এদিকে ভিকটিমকে পুলিশ হেফাজতে ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।

নাজমুল ইসলাম, জৈন্তাপুর