পুলিশ কনস্টেবলের জমি দখলে নিতে না পেরে ক্ষতি করে প্রভাবশালীরা।

সিলেটের জৈন্তাপুরে সাবেক পুলিশ কনস্টেবল আলী আজমের ভূমি দখল নিতে গাছ কর্তন, বেড়া ভাংচুরসহ প্রায় ৩লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেছে প্রভাবশালীরা।

এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী মোছা. মোর্শেদা বেগম।

অভিযোগ দায়েরপর পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকা এবং হামলা, ভাংচুর করার প্রাক্কালে ঘটনাস্থল হতে মুক্তাপুর টিলাবাড়ী গ্রামের মৃত মাহবুবুল আম্বিয়া চৌধুরীর ছেলে ইমরান আহমদ চৌধুরী (২৯) ও কামরান মাহবুব চৌধুরী (২৯) আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বাদীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলা নং ৮৫, তারিখ ১৪-০৬-২০১৯।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় আটককৃতদের মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা য়ায়- অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল আলী আজম দীর্ঘ দিন পূর্বে জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর টিলাবাড়ী গ্রামে জায়গা খরিদ পূর্বক বসতবাড়ি নির্মাণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।

গত কয়েক বৎসর পূর্ব থেকে বিবাদীরা ভূমি দখল করতে নানা ভাবে পায়তারা করছে। এনিয়ে কয়েকদফা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিবারের উপর হামলা ও মামলা করে আসছে। ভূমি নিয়ে এখনো উচ্চ আদালতে মামলা চলমান। বিবাদী গত ১৪ জুন শুক্রবার রাত অনুমান ১০টায় আলী আজমের পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে প্রায় ৩লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।

হামলার ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী মুক্তাপুর টিলাবাড়ী গ্রামের মৃত মাহবুবুল আম্বিয়া চৌধুরীর ছেলে ইমরান আহমদ চৌধুরী (২৯) ও কামরান মাহবুব চৌধুরী (২৯) মৃত সওদাগর মিয়ার ছেলে আলী আশরাফ (৬০), মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে জলিল মিয়া (৫৫), কালা মিয়ার ছেলে রফিক আহমদ (৩৫), মৃত আব্দুল হকের ছেলে আব্দুল খালিক (৩৫), জলিল মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২২), তোফাজ্জল হোসেন (৩৪), মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে খুরশেদ মিয়া (২৮), জয়নাল আবেদীনের ছেলে মিজানুর রহমান (২৫) চারু মিয়ার ছেলে বদু মিয়া (৩০) কে আসামী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা ওসি খান মো. মাইনুল জাকির বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকায় তাদেরকে আটক করা হয় এবং মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ মামলার অপরাপর আসামীদের গ্রেপ্তারের তৎপরতা চলছে।

আজকের পত্রিকা/নাজমুল ইসলাম/জৈন্তাপুর