সিএনজি ও টোকেন নূরুল হক

সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে অবৈধ সিএনজি অটোরিক্সা ও অনুমোদনবিহীন টমটম চলাচলের উপর ২০০৫ সালে নির্বাহী আদেশে মহাসড়কে নিষিদ্ধ হয় থ্রী হোইলার সিএনজি অটোরিক্সা। তারপরও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহাসড়কে ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই যানবাহন। এ কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

যানবাহন ক্যাটাগরিতে পড়ে না ইলেকট্রিক চার্জে চলা ইজিবাইক তামাবিল মহাসড়কে চলছে হাজারে হাজার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি না থাকায় মহাসড়কে ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব হালকা যান।

পরিসংখ্যান মতে, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে রেজিস্ট্রেশনকৃত সিএনজি অটোরিকশার চেয়ে নাম্বার বিহীন সিএনজি অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল করছে বেশি। রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা চলাচলে ধরা বাঁধা থাকলেও সিলেট-তামাবিল সহাসড়কে রুটে এসবের কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। আইন কার্যকর ও বাস্তবায়ন করেত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়। তারপরও এ সকল অটোরিক্সা চলাচল করলেও তারা না দেখার ভান করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশকে ম্যানেজ করেই এ সকল রেজিস্ট্রেশন বিহীন অটোরিক্সা চলাচল করছে। এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে কথিত মাছের ব্যাগ বিক্রেতা থেকে নূরুল হক সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক টোকেন কিংবা স্ট্যান্ড টোকেন এপাশ ওপাশে চিহ্নকে পুঁজি করে মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ এ সকল সিএনজি অটোরিক্সাগুলো।

সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মহাসড়ক থেকে অবৈধ সিএনজি অটোরিক্সা ও অনুমোদন বিহীন টমটম চলাচলের উপর নিষদাজ্ঞা জারী করলেও সিলেট-তামাবিল সহাসড়কে রুটে টোকন ব্যবসায়ী নূরুল হক বন্ধ হচ্ছে না।

সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সিলেটের পুলিশ সুপারের নির্দেশে ও সার্বিক দিক নির্দেশনায় জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ উপজেলা সর্বশ্রেনী পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করেন এবং সভায় সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সিলেট তামাবিল মহাসড়কে যেনো কোন প্রকার অবৈধ নাম্বার বিহীন সিএনজি, গ্যাস চালিত বোমা বহনকারী সিএনজি টমটম এবং ব্যাটারী টমটম চলাচলের উপর নিষেদাজ্ঞা কঠোর ভাবে জারী করা হয়।

তারপর মাত্র ১ বার ৬ টি সিএনজি ও ১ টি সিএনজি চালিত টমটম আটক করে অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। টোকন ব্যবসায়ী নূরুল হকের অফিস হরিপুর বাজারে থাকার কারণে হরিপুর বাজারে কোন অভিযান করা হয়না। যার কারণে বন্ধ হয় না টোকন নূরুলের নিয়ন্ত্রনাধীন নাম্বার বিহীন সিএনজি অটোরিক্সা।

মাছের ব্যাগ বিক্রি বন্ধ করে টোকন ব্যবসায় পরিচালনা করে নূরুল হক বোপরোয়া হয়ে উঠে এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমাবেশের ডাক দেয়।

সচেতন মহলের দাবি অপরাধ সংঘটিত করতে টোকন ব্যবসায়ী নূরুল হককে এরকম সমাবেশের অনুমতি দিলে অপরাধীরা মাথা ছাড়া দিয়ে উঠবে। উপজেলা আইন শৃঙ্খলা অবনতি হবে।