চোখকে যেকোনো ব্যাকটেরিয়াল আর ভাইরাল ইনফেকশন থেকে বাঁচিয়ে রাখতে কাঁঠাল কার্যকরী। ছবি : সংগৃহীত

সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল কাঁঠাল। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁচা কাঁঠালকে বলা হয় এঁচোড়। ফল হিসেবে কাঁঠালের রয়েছে অবিশ্বাস্য কিছু পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা। চলুন জাতীয় ফল কাঁঠালের সেই সব উপকারিতাগুলো জেনে নিই।

দৃষ্টিক্ষমতা বাড়ায়

কাঁঠালে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে, যা সুস্থ্য চোখের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। তাই এই ফল খেলে দৃষ্টিক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া রাতকানা, চোখে ছানি পরা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। চোখকে যেকোনো ব্যাকটেরিয়াল আর ভাইরাল ইনফেকশন থেকে বাঁচিয়ে রাখে।

হাড় মজবুত করে

এর ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। এই ম্যাগনেসিয়াম আর ক্যালসিয়াম এক সাথে কাজ করে হাড় মজবুত করে এবং হাড়জনিত ডিসর্ডারসমূহ যেমন অসটেওপোরোসিস থেকে রক্ষা করে।

ত্বক ভালো রাখে

নিয়মিত কাঁঠাল খেলে বার্ধক্য থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যায়। এতে বিদ্যমান এন্টি অক্সিডেন্ট ফ্রী র‍্যাডিকেল ড্যামেজ প্রতিহত করে। ত্বকের বলিরেখা, শুষ্কতা ইত্যাদি কমায়। তাছাড়া কোলাজেন উৎপন্ন করতে সহায়তা করে ফলে ত্বক টানটান থাকে।

রক্তশূন্যতা দূর করে

কাঁঠাল খেলে তা থেকে অনেক পরিমাণে আয়রন পাওয়া যায়, যা লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে দেহে আয়রনের অভাবে যে রক্তশূন্যতা হয়, তা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

দেহের শক্তি বাড়ায়

কাঁঠাল শক্তি উৎপন্নকারী ফল হিসেবে পরিচিত। এতে ফ্রুক্টোজ আর সুক্রোজ নামক শ্যুগার থাকে যা রক্তের শ্যুগার লেভেলকে প্রভাবিত না করে দেহে তৎক্ষণাৎ শক্তি প্রদান করে। এতে কোনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট কিংবা কোলেস্টেরল নেই।

ক্যান্সার নিরোধক

ক্যান্সার নিরোধক ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস এবং এন্টিঅক্সিডেন্টস এই ফলে রয়েছে। তাই এটি ওরাল, কোলন আর স্কিন ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।

আজকের পত্রিকা/কেএইচআর/এমএইচএস