আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসি ছিলেন না। তিনি কখনো স্বাধীনতার বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি কখনো মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে নয়। তিনি পাকিস্থানের এজেন্ট হিসাবে এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য মুক্তিযোদ্ধ অংশ নিয়ে ছিলেন। চট্টগ্রামের কালুঘাটে তাকে অনেকটা জোড় করে মুক্তিযদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠক হিসাবে পাঠ করিয়ে ছিলেন। এব্যাপারে তার কাছে প্রমান আছে।

এর জন্যই স্বাধীনতার পরে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান সকল স্বাধীনতা বিরুদ্ধী রাজাকার আলবদরদের নিয়ে মন্ত্রী সভা গঠন করেছিন। সকল বন্দী রাজাকার দের কারাগার থেকে মুক্ত করে দিলেন। গোলাম আজম কে পাকিস্থান থেকে এনে দেশে নাগরিকত্ব দিয়ে দিলেন।

তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষমতা দখণ তাদের উদ্দেশ্য ছিলনা। তাদের এই হত্যাকান্ডে মুল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা বিরুদ্ধী পরাজিত শক্রদের প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্য।

রবিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শহরের পুরান বাজার অনুষ্টিত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমদ এমপি। উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুক্তিযোদ্ধ মো: আছকির মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলন সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন কামরান, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবেক চিপ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড, আব্দুশ শহীদ এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, সভায় বিশেষ বক্তা ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি নাকি আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখেনা। আওয়ামীলীগ সরকার যখন গঠন করা হয়, তখন সবকিছুতেই ঘাড়তি ছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশে মানুষের মাথা পিছু আয় বেড়েছে। দেশ খাদ্য শর্ষে স্বংয়সর্ম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। বিদেশে রপ্তানী আয় বেড়েছে। মানুষে ক্ষয়ক্ষমতা বেড়েছে। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশে উপনিত হবে। তিনি বলেন বিএনপি যেখন ক্ষমতায় দেশের উপর আঘাত করেছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সাভৌমত্বের স্বার্থের বিরুদ্ধি কাজ করেছে। বিএনপির নেতা তারেক রহমান বলে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবির একই মায়ের সন্তান বলে ঘোষনা দিয়ে ছিল।

এখন তারা আবরারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করা হচ্ছে। আবরার হত্যার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হবে। শেখ হাসিনার নির্দেশ, যে কোন অপকর্মের সাথে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আওয়ামী লীগে অপরাধীর কোন ছাড় নেই। বিকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় এবং এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলছিল।

-ছৈয়দ সায়েদ আহমেদ/শ্রীমঙ্গল