জিন্দাবাজারে পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাইর অভিযোগ

সিলেটে নগরীর জিন্দাবাজারে পার্কিং নিয়ে বাকবিতন্ডার জের ধরে এক যুবককে মারধরের পর মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে পুলিশের এক সদস্যর বিরুদ্ধে।

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে ১৫ জুন শনিবার বিকেলে জিন্দাবাজার সড়কে অবরোধ করে ওই যুবকের পরিচিতজরা। পরে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে জিন্দাবাজার জগন্নাথ জিউড় মন্দির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়- শনিবার সাড়ে ৩টার দিকে জিন্দাবাজার পয়েন্টে রিকশা পার্কিং নিয়ে পুলিশের এটিএসআই মাছুমের সাথে এসডি ইমন নামে এক যুবকের বাকবিতণ্ডা হয়। এসডি ইমন নগরীর দাড়িয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে এটিএসআই মাছুমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ইমনকে টেনে জিন্দাবাজার পয়েন্টের পাশ্ববর্তী জগন্নাথ জিউড় মন্দিরের ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে বেধরক মারধর করেন পুলিশ সদস্যরা। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মন্দিরের ভেতরে ঢুকে ইমনে ছাড়িয়ে আনেন। এসময় ইমনের মানিব্যাগও ছিনিয়ে নেয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পুলিশের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে ইমন তার তার আত্মীয় স্বজন ও পরিচিতদের খবর দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই একদল যুবক জিন্দাবাজার পয়েন্টে এসে সড়কের উপর অবস্থান নেন। তারা এটিএসআই মাছুম সহ সেখানে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের ঘেরাও করে রাখেন। এতে ওই এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার সহকারী কমিশনার ইসমাইল হোসেন ও পরিদর্শক (তদন্ত) ছাহাবুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এসময় এসি ইসমাইলের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন তারা। পরে তাদেরকে নিয়ে থানায় যান এসি ইসমাইল ও পরিদর্শক তদন্ত ছাবারুল।

এ ব্যাপারে এসি ইসমাইল হোসেন বলেন, আমরা ওই যুবকের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে সত্যতা পেলে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা বলেন, ‘জগন্নাথ জিউর আখড়ায় থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই যুবকের সাথে পুলিশ সদস্য মাসুমের দুর্ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে।’

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস