কমল দাশ
চট্টগ্রাম ব্যুরো

জনতার মুখোমুখি মেয়র' শীর্ষক অনুষ্ঠানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

সাহায্যপ্রত্যাশী শত শত নগরবাসীর ভিড় ঠেলে সকালে বাসা থেকে বের হতে রীতিমত যুদ্ধ করতে হয় জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। একই সাথে মেয়র বলেছেন,. নগরভবনে সার্বক্ষণিক গিজ গিজ করা মানুষ দেখে বিদেশি কেউ এসে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েন-এটা মেয়রের অফিস নাকি জনসভাস্থল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে মেয়রের দায়িত্ব পালনের চারবছর পূর্তি উপলক্ষে ‘জনতার মুখোমুখী’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মেয়র নাছির এ কথা বলেন।

২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও পরিকল্পনা নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মেয়র বলেন, আমি জনতার মুখোমুখি হয়েছি। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে প্রশ্ন করার জন্য নয়। দলমত নির্বিশেষে নির্ভয়ে প্রশ্ন আশা করছি। আমি চাই ৪১ ওয়ার্ডেই করবো। কী করতে পেরেছি, কী করতে পারিনি তা জানতে এ আয়োজন।

নিজেকে জনবান্ধব মেয়র দাবি করে বলেন, এখন আমার বাসা থেকে বের হওয়া যুদ্ধের মতো। ড্রয়িং রুমে ৬০-৭০ জন বসে থাকে। কয়েকশ লোককে সময় দিতে হয়। মেয়রের নির্ধারিত কিছু দায়িত্ব আছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত দিতে হয়। মেয়রের অফিস জনসভাস্থলে পরিণত হয়। এমন আবদার নিয়ে আসে যা আমার আওতার বাইরে।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন অনেক চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। সিডিএ মেগা প্রকল্প নিয়েছে।

স্বাগত বক্তব্যে জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিল শৈবাল দাশ সুমন বলেন, মেয়র ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছিলেন ক্লিন ও গ্রিন সিটি করবেন চট্টগ্রামকে। সেই লক্ষ্যে জামালখান ওয়ার্ডকে স্বপ্নের মতো সাজানোর চেষ্টা করছি। সাধ ও সাধ্যের ব্যবধান ছিল। আমাদের আরেকটি বছর হাতে আছে। বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চাই।

এ আয়োজন আপনাদের মতামত নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর জন্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সচিব আবু সাহেদ চৌধুরীসহ চসিকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জলাদ্ধতার জন্য সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামকে জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেন কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি।

তিনি আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে নাছির উদ্দীনকে দেখতে চান বলে জানান এ নারী নেত্রী।

অনুষ্ঠানে চসিকের অর্থায়ন ও উদ্যোগে চার বছরে বাস্তবায়ন করা প্রকল্প, বেসরকারি উদ্যোগে এ ওয়ার্ডে সৌন্দর্যবর্ধনের নানা প্রকল্প, ঐতিহ্য, স্থাপনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।