কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন সিলেটবাসী। ছবি : সংগৃহীত

সিলেটের রাত দিন সমান হয়ে যাচ্ছে। রমজানের অর্ধেক পেরোতে না পেরোতেই লক্ষণটি স্পষ্ট হয়েছিল। এখন তা পরিষ্কার। মানে কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন সিলেটবাসী। রাতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়। মার্কেট বিপণীবিতানগুলো তরুণ তরুণীর কথার ফুলঝুরির সাথে শিশু-কিশোরের উল্লাসে মুখর।

প্রতি বছর পবিত্র রমজানের এই সময়টাতে দেশের প্রায় সবশহরেই এমনচিত্র দেখা যায়। ব্যতিক্রম নয় সিলেটও। বরং সিলেটে কিছুটা বেশি। প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেট জেলার আশপাশের উজেলাগুলোর ক্রেতারা কেনাকাটা করতে ইফতারের পরপরই বেরিয়ে পড়েন। এরপর মধ্যরাতের দিকে শপিং ব্যাগ নিয়ে ফেরেন নিজের ঠিকানায়। এ সময়ে দিনের চেয়ে রাতের সিলেটই বেশী জমজমাট থাকে।

শুরু হয়েছে এবারও। ১৫ রমজানের পর থেকেই রাতের সিলেট জমজমাট হতে শুরু করে। তখন রাত ১০/১১টায়ও জিন্দাবাজর পয়েন্টে প্রচুর যানজট ও লোকসমাগম দেখা গেছে।
শনিবার চলে গেছে রমজানের ১৯ দিন। ঈদের বাকী আর মাত্র ৯ দিন। এ সময়ের মধ্যে কেনাকাটা শেষ করতে হবে। বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরই যে প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

এই উৎসবে মুসলমানরাতো কেনাকাটা করেনই, করেন অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও। ঈদুল ফিতরে বিয়ের বর-কনের মতোই সেজে উঠে সিলেট নগরীর মার্কেট ও বিপণীবিতানগুলো। ফ্যাশন হাউসের শো-রুমগুলোও সাজানো হয় বর্ণাঢ্য সাজে।

সেজেছে এবারও। প্রতিদিনই রাতের সিলেটে জনসমাগম বাড়ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকার মার্কেট বা বিপণীবিতানের সংখ্যা বেশী, সেসব এলাকায়। জিন্দাবাজার, বারুতখানা, চৌহাট্টা, লামাবাজার, বন্দরবাজার এলাকায়ই বেশী পোশাকের দোকান। কুমারপাড়া ও নয়াসড়ক এলাকার ব্র্যান্ডেড দোকান বা শো-রুমগুলোতেও ভীড় বাড়ছে।
মোটামুটি দিনের চেয়ে রাতের সিলেটই এখন বেশী জমজমা। ক্রেতারা আসছেন দেখছেন এবং শপিংব্যাগ হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

আজকের পত্রিকা/আরকে/এমএইচএস