নবীগঞ্জের সিএনজি চালকের মরদেহ জগন্নাথপুর থেকে উদ্ধার

নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ থেকে নিখোঁজের পর দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত গ্রামের আব্দুল মালিক এর পুত্র সিএনজি অটো চালক মামুন মিয়ার নামাজে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার সকালে সুনাগঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে বেলা ২টায় জন্মস্থান ইনাতগঞ্জের মধ্যসমত গ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। লাশবাহী এম্বুলেন্সটি বাড়িতে আসার পর মা বাবা আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে উঠে। মা বাবার কান্না যেন থামছেনা। এ সময় এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যর অবতারণা হয়।

খবর পেয়ে পাড়া প্রতিবেশীসহ এলাকার শতশত মানুষ ওই বাড়ীতে ছুটে যান তাকে এক নজর দেখতে। নিহত মামুনের পিতা আব্দুল মালিক ছেলে হত্যাকারী খুনিদের দ্রুত খুঁজে বের করে ফাঁসির দাবি জানান। বিকেল সাড়ে ৪ টা ৪০মিনিটে ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে গ্রাাম্য কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ইনাতগঞ্জ বাজার থেকে সিএনজি চালক মামুন মিয়া নিখোঁজ হন। ওই সময় তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। সর্বশেষ স্থানীয় কাজীর বাজারে রাত ৮টার দিকে চালককে দেখেছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন জগন্নাথপুর-রানীগঞ্জ-আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের খানপুর নামকস্থানে একটি ডোবায় চালকের লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেন। স্থানীয়দের ধারণা, দুর্বৃত্তরা হত্যা করে তার লাশ ডোবায় ফেলে দিয়েছে।

নিহতের পিতা আব্দুল মালিক জানান,লাশের ময়নাতদন্ত,দাফন নিয়ে আমরা ব্যাস্ত থাকায় মামলা করতে পারিনি। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে লাশের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনার রহশ্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।