রেজাউল করিম রতন ও ভুক্তভোগী নারী। ছবি: সংগৃহিত

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপ-সচিব (বরখাস্ত) ও মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রেজাউল করিম রতনকে ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টা মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

১৩ অক্টোবর রবিবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসি।

এর আগে, ১২ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানী ধানমন্ডির মধুবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার রেজাউল করিম রতনকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অনিমেষ কুমার দাসের জামিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ১৬ অক্টোবর জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন।

শনিবার রেজাউল করিম রতনকে গ্রেফতারের পর হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজিব হাসান বলেন, ৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী এক নারীর দায়ের করা ধর্ষণচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি শনিবারও ভুক্তভোগীর বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখন আমরা তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করি।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারী বলেন, রেজাউল করিম ১ অক্টোবর আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিলে সে আমাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয়। এরপর আমি ৭ অক্টোবর হাজারীবাগ থানায় ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়ের করি।

তিনি আরো বলেন, এর আগেও রেজাউল করিম আমার সঙ্গে জোরপূর্বক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য নির্যাতন চালায়। এই ঘটনায় আমি ২০১৮ সালের ২৮ জুলাই ধানমন্ডি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছিলাম। এছাড়া চলতি বছরের ২ জুন গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করি। দুটি মামলায় চার্জশিটে অভিযোগ প্রমাণ হয়।

অভিযোগকারীর দাবি, এরপর রেজাউল করিম তার সঙ্গে আপস করার চেষ্টা করে। রাজি না হওয়ায় বিভিন্ন সময় তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

আজকের পত্রিকা/কেএফ