চুয়াডাঙ্গায় বিজয়ী প্রার্থীরা।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ ৩য় ধাপে অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার ৪ টি উপজেলার একটিতে নৌকা এবং বাকি তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ২৪ মার্চ রবিবার রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলার রিটার্নিং কর্মকর্তারা এ ফলাফল ঘোষণা করেন। বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলাফলে জানা যায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা :
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস (নৌকা) ৪০ হাজার ১২৬ ভোট পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত (বিজয়ী) হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুনের ভাই চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৩ হাজার ২ ভোট পেয়েছেন।

আলমডাঙ্গা উপজেলা :
আলমডাঙ্গা উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আয়ুব আলী (আনারস) ৫১ হাজার ৯১৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থীর জিল্লুর রহমান ৪১ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়েছেন।

দামুড়হুদা উপজেলা :
দামুড়হুদা উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি হাজী আলী আজগার টগরের ভাই আলী মুনসুর বাবু (আনারস) ৪১ হাজার ৭৪৫ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দামুড়হুদা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি নৌকার প্রার্থী পেয়েছেন ২৯ হাজার ৩৮৬ ভোট।

জীবননগর উপজেলা :
জীবননগর উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজুর রহমান (কাপ-পিরিচ) ৩২ হাজার ৫৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোর্তুজা মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ২৬ ভোট পেয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি হাজী আলী আজগার টগর আ’লীগের দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তুলে দলীয় প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ অমল (নৌকা) গত ২১ মার্চ সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর ও জীবননগর উপজেলা নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার, ইয়াহইয়া খাঁন, আলমডাঙ্গা ও দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার, তারেক আহম্মেদ বেসরকারিভাবে রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় ৩৩৮টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলা ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।

শামসুজ্জোহা পলাশ/চুয়াডাঙ্গা/জেবি