হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে কেরানীগঞ্জের অগ্নিদগ্ধদের অবস্থা পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড মালিকপক্ষের গাফিলতির কারণে ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ জন্য তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে কেরানীগঞ্জের অগ্নিদগ্ধদের অবস্থা পরিদর্শনের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র এখন দগ্ধদের চিকিৎসা দিচ্ছে। এই ক্ষতিপূরণ আদায়ে কাজ করবে সরকার।

তিনি বলেন, দগ্ধদের সবার অবস্থাই খু্ব ক্রিটিক্যাল। দুয়েকজন ছাড়া সবারই ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। ইতিমধ্যে ঢামেকের বার্ন ইউনিট থেকে ১১ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে। দরকার হলে আরও রোগী সেখানে স্থানান্তর করা হবে।

বুধবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগে। ঘটনার সময় শ্রমিকরা কাজ করছিলেন। তখন হঠাৎই গ্যাস রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। দগ্ধ আরও অন্তত ৩২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।