ঢাকা ডায়নামাইট এর ব্যাটসম্যান।

ঢাকা ডায়নামাইটসকে ২০০ রানের জয়ের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের শিরোপা জিততে সেই লক্ষ্য পূরণে শুরু থেকেই সামানতালেই ছুটছিল ঢাকা। তবে নবম ওভারে শত রান পূর্ণ হওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এরপর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে হঠাৎ চাপে পড়ে যায়।

রানের খাতা খোলার আগে প্রথম উইকেট হারানো ঢাকা দলীয় ১০২ রানে হারায় দ্বিতীয় উইকেট। এ সময় ২৭ বল থেকে ৪৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে ফিরে গেছেন উপুল থারাঙ্গা। দলীয় ১২০ রানে ফিরেন অধিনায়ক সাকিব। আর সবশেষ ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৬ রান করে রনি তালুকদার রান আউট হয়ে যান। তাই এক উইকেটে শত রান পূর্ণ করা ঢাকার স্কোর ১৩ ওভারের খেলা শেষে চার উইকেটে ১৩১।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিমের ঝড়ো ইনিংসে ঝড়ো ইনিংসে তিন উইকেটে ১৯৯ রান করে কুমিল্লা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা সতর্কতার সঙ্গেই করে কুমিল্লা। তবে ৯ রানে রুবেল হোসেনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এভিন লুইস। এরপর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে যতোটা সম্ভব সামনে চলার চেষ্টা করেন তামিম। তার সেই প্রচেষ্টা কাজে লেগেছে।

দ্বাদশ ওভারে সাকিবের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন বিজয়। ৩০ বল থেকে দুটি চারে ২৪ রান করে ফেরেন তিনি। বিজয় আউট হওয়ার পরপরই রান আউটের ফাঁদে পড়েন শামসুর রহমান। পরে ইমরুল সঙ্গী হন তামিমের। একপ্রান্ত ধরা রাখা ছাড়া ইমরুল তেমন কিছু করেননি।

তবে অপরপ্রান্তে ব্যাটে ঝড় তোলেন তামিম। শেষ দিকে যেন তামিমের ব্যাট হয়ে ওঠে আগুনের মতো। ৬১ বল থেকে ১০টি চার ও ১১টি ছক্কার মারে তামিম করেন ১৪১ রান। আর ইমরুল ২১ বল থেকে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ঢাকার এটি চতুর্থবারের মতো শিরোপার লড়াই। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স প্রথম দুইবার এবং ঢাকা ডায়নামাইটস ২০১৬-১৭ মৌসুমে শিরোপা জিতে। অপরদিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের এটি দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপার লড়াই। বিপিএলের সবশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় রংপুর রাইডার্স। সব মিলিয়ে আগের পাঁচটি শিরোপাই এই তিনটি দলের ঘরে গেছে।